ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান একই টেবিলে বসেন। অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এ ইফতার অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক ঐক্য ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা হয় বলে জানা গেছে।
দাওয়াত দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের লক্ষ্যে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, “আসুন আমরা আল্লাহর নামে শপথ গ্রহণ করি যে আমাদের আগামী দিনের কাজগুলো হবে এ দেশের মানুষের কল্যাণে।” তিনি দেশ উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার জন্য সবার সহযোগিতা কামনা করেন।
তিনি আরও বলেন, দেশের মানুষ আজ রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে প্রত্যাশা নিয়ে তাকিয়ে আছে। দীর্ঘ সময়ের ত্যাগ ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছে। এই অর্জন রক্ষা ও শক্তিশালী করতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বাক্স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক চর্চার সুযোগ এখন আরও বিস্তৃত হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, মঈন খান, বাংলাদেশ খেলাফতে মজলিসের আমির মামুনুল হক, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও সংসদ সদস্য সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, এনসিপির সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, এলডিপির সভাপতি অলি আহমদ, ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েমসহ সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের আয়োজনে বিভিন্ন দলের নেতাদের এক মঞ্চে উপস্থিতি রাজনৈতিক সংলাপ ও পারস্পরিক সমঝোতার সম্ভাবনা বাড়ায়।
আকাশজমিন / আরআর