সৈকতে ধারণকৃত ছবিগুলোতে অ্যান হ্যাথাওয়েকে বিকিনি ও সানগ্লাস পরা অবস্থায় দেখা যায়। এক পর্যায়ে তাকে একটি স্কার্ফ দিয়ে পেট ঢাকতে এবং পরে সাদা পোশাক পরে নৌকায় ওঠার জন্য জেটির দিকে এগিয়ে যেতে দেখা যায়। ঠিক একই দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তিনি নিজেই ভক্তদের সঙ্গে তাঁর এই মা হতে যাওয়ার খুশির খবরটি আনুষ্ঠানিকভাবে ভাগ করে নেন।
ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা একটি বিশেষ ভিডিওতে তাকে সাদা টু-পিস পোশাকে দেখা যায়, যেখানে তিনি ক্যামেরার সামনে এসে প্রথমবার তাঁর ‘বেবি বাম্প’ প্রকাশ করেন। সেই ভিডিওর ক্যাপশনে আবেগঘনভাবে তিনি লেখেন, “সোনা, আমি তোমার।” মুহূর্তের মধ্যেই প্রিয় অভিনেত্রীর এই চমৎকার পোস্টটি বিশ্বজুড়ে তাঁর কোটি ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ভালোবাসায় এবং শুভেচ্ছায় ভরে ওঠে।
বাস্তব জীবনে অ্যান হ্যাথাওয়ের স্বামী অ্যাডাম শুলম্যান একজন সফল ব্যবসায়ী ও চলচ্চিত্র প্রযোজক। দীর্ঘ প্রেমের পর ২০১২ সালে তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এই সুখী দম্পতির ঘরে ইতোমধ্যে দুটি ছেলে সন্তান রয়েছে—জোনাথন ও জ্যাক। এর আগে নিজের দ্বিতীয় সন্তানের সময় গর্ভধারণের নানা জটিলতা ও ব্যক্তিগত দীর্ঘ সংগ্রামের কথাও তিনি মিডিয়ার সামনে অকপটে প্রকাশ করেছিলেন।
অভিনয়জীবনে অসম্ভব ব্যস্ত থাকার পাশাপাশি মাতৃত্বকে নিজের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও সেরা অধ্যায় হিসেবে বিবেচনা করেন এই অভিনেত্রী। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, মা হওয়া তাকে জীবনের প্রতি সম্পূর্ণ নতুন এক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েছে এবং ব্যক্তিগতভাবে তাকে আরও অনেক বেশি শক্তিশালী করে তুলেছে।
এদিকে, পেশাগত জীবনেও অ্যান হ্যাথাওয়ে বর্তমানে একাধিক মেগা চলচ্চিত্র প্রকল্পে যুক্ত রয়েছেন। বড় পর্দায় তাঁর আসন্ন আলোচিত প্রজেক্টগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘দ্য ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা ২’, ‘মাদার মেরি’, ‘দ্য ওডিসি’, ‘দ্য এন্ড অফ ওক স্ট্রিট’ এবং ‘ভেরিটি’। ব্যক্তিগত ও পেশাদার—উভয় জীবনেই এই হলিউড ডিভা এখন এক দারুণ সোনালী সময় পার করছেন।