ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২ কমলা হ্যারিসের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশের চেষ্টা, পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার রাজধানীতে সকালের বৃষ্টিতে সড়কে ভোগান্তি, ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস ইয়েমেনে ফের তীব্র সংঘাত, ১২৯টি হামলার দাবি হুথিদের উত্তরখানে যুবলীগের গোপন বৈঠক, পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার ৮ বিচ্ছেদ গুঞ্জন উড়িয়ে ছেলের জন্মদিনে একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রী বিয়ের আনন্দ রূপ নিল বিষাদে, সড়কে ঝরল ৪ প্রাণ ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ভয়াবহ বিমান হামলা, ৯ জনের প্রাণহানি সুইডেনে সংসদ নির্বাচন: কট্টর ডানপন্থীদের সরকারে আসার জোর সম্ভাবনা

কমদামি সিগারেটের দাম বাড়াল মন্ত্রিসভা, নতুন মূল্য ৬৫ টাকা


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৩:৫২ পিএম

দেশের তামাকজাত পণ্যের বাজারে নিম্নস্তরের তথা কমদামি সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য এক লাফে বাড়ানোর গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সরকারি সভায় এ সংক্রান্ত নতুন মূল্য কাঠামোর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়। সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে প্রতি ১০ শলাকা নিম্নস্তরের সিগারেটের বর্তমান দাম ৬২ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৬৫ টাকা পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাবটি চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে।


সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তামাকপণ্যের এই নতুন দর পুনর্বিন্যাসের সার্বিক অনুমোদন দেওয়া হয়। সফল বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে প্রেরিত এক সরকারি সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে অবহিত করা হয়েছে।


মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে জানানো হয় যে, দেশে প্রচলিত নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতি ১০ শলাকার ক্ষেত্রে ৬২ টাকা ও তদূর্ধ্ব নির্ধারণ করা ছিল। যা বর্তমানে সংশোধন করে ৬৫ টাকা ও তদূর্ধ্ব স্তরে পুনর্নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সরকার আশা করছে যে, এর ফলে খুচরা বাজারে কমদামি সিগারেটের কেনাবেচায় সুনির্দিষ্ট ও সুশৃঙ্খল একটি রাজস্ব কাঠামো প্রতিষ্ঠিত হবে।


অর্থনৈতিক নীতি বিশ্লেষকদের মতে, মূলত বাজারে নিম্নস্তরের সিগারেটের অবৈধ কালোবাজারি বা অবৈধ বাণিজ্য কড়া হাতে প্রতিরোধ করা এবং তামাক খাত থেকে সরকারের প্রত্যাশিত রাজস্ব ঘাটতি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস করাই এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের মূল ও প্রধান লক্ষ্য। মন্ত্রিসভায় এই সংক্রান্ত প্রস্তাবনাটি উপস্থাপিত হলে তা বিস্তারিত পর্যালোচনা শেষে সর্বসম্মতভাবে অনুমোদন পায়, যা খুব শিগগির সারা দেশে কার্যকর করা হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর