অনলাইন ডেস্ক
ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়ক জায়েদ খান প্রথমবারের মতো ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব গেছেন। ১০ দিনের সফরের জন্য সোমবার তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে সৌদি আরবের উদ্দেশ্যে রওনা হন। তিনি জানান, তিনি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন এবং সব রোজা রাখেন। অনেক দিনের ইচ্ছে ছিল ওমরাহ পালনের, এবং অবশেষে তার সেই কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে। জায়েদ খান সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন যাতে ওমরাহ সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
জায়েদ খানের ধর্মীয় অনুশীলন ও ওমরাহ পালনের সিদ্ধান্ত তার ভক্তদের মধ্যে ইতিমধ্যেই আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। দেশের চলচ্চিত্র ভক্তরা তার এই উদ্যোগকে উৎসাহিত করছেন এবং তার ধর্মীয় অনুশীলনের প্রতি সম্মান প্রকাশ করছেন।
চলচ্চিত্র জগতে দীর্ঘদিনের অবদানের পাশাপাশি জায়েদ খান জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশগ্রহণ করেন। রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি দেশে ফেরেননি। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন; কখনও কানাডায়, কখনও যুক্তরাষ্ট্রে।
বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা সংবাদপত্র ‘ঠিকানা’-য় নিয়মিত উপস্থাপনা করছেন। তার আন্তর্জাতিক কর্মকাণ্ড এবং দেশজুড়ে প্রভাবশালী উপস্থিতি তাকে চলচ্চিত্র জগতে এক স্বকীয় পরিচিতি দিয়েছে।
জায়েদ খানের ওমরাহ সফর তার ভক্তদের মধ্যে ধর্মীয় ও সামাজিক আলোচনারও বিষয়বস্তু হিসেবে পরিণত হয়েছে। তারকা শিল্পী হিসেবে ধর্ম ও নৈতিকতার প্রতি প্রতিশ্রুতি এবং ব্যক্তিগত ধর্মীয় ইচ্ছার প্রকাশ ভক্ত ও সাধারণ মানুষদের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
জায়েদ খান জানান, দীর্ঘদিনের ব্যস্ততা এবং দেশের বাইরে দীর্ঘ সময় অবস্থান সত্ত্বেও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের প্রতি তার আগ্রহ অপরিবর্তিত রয়েছে। ওমরাহ সফর তাকে আত্মিক শান্তি ও ধর্মীয় তৃপ্তি দেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তার অবদানও চলচ্চিত্র জগতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় উদ্যোগে অংশগ্রহণ তার বহুমুখী ব্যক্তিত্বকে তুলে ধরে। দেশে না থাকলেও তিনি নিয়মিত সামাজিক মাধ্যম এবং সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে সংযুক্ত থাকেন।
তাঁর ওমরাহ সফর ১০ দিনের হবে এবং সফরকালে তিনি সৌদি আরবের ধর্মীয় স্থানগুলো পরিদর্শন করবেন। দেশে ফিরে আসার পর এই অভিজ্ঞতা এবং ধর্মীয় শিক্ষা তার ব্যক্তিগত জীবন এবং সামাজিক কর্মকাণ্ডে প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
জায়েদ খানের ধর্মীয় অনুশীলন, আন্তর্জাতিক উপস্থিতি এবং চলচ্চিত্রে অবদান একসাথে তার ভক্তদের কাছে তাকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। তার এই সফর ভক্তদের মধ্যে ধর্মীয় উৎসাহ এবং সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আকাশজমিন / আরআর