ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হঠাৎ করে বিবারকে এমন অবস্থায় দেখে আয়োজক ও বিচারকেরা একরকম হকচকিয়ে যান। গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের নির্বাহী প্রযোজক বেন উইনস্টন এক পডকাস্টে জানান, বিবার যে এমন পোশাকে পারফর্ম করবেন, তা তিনি আগে থেকে কাউকেই জানাননি। তিনি বলেন, “আমার মনে হয় না মঞ্চে ওঠার আগ পর্যন্ত তিনি ঠিক করেছিলেন কী পরবেন। সৃজনশীল পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার সময়ও তিনি কোনো আভাস দেননি, শুধু বলেছিলেন মঞ্চে উঠে গান গাইবেন।”
জাস্টিন বিবার তার নিজস্ব ফ্যাশন ব্র্যান্ডের তৈরি একটি সাটিন বক্সার শর্টস পরে পারফর্ম করতে মঞ্চে ওঠেন। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এই বিশেষ পারফরম্যান্সের জন্য বিবার খুব বেশি সময় নষ্ট করতে চাননি, তাই সম্ভবত এমন পোশাকেই উপস্থিত হয়েছেন। তার এই স্টাইল বিশ্বজুড়ে মজার ও বিস্ময়কর প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।
এবারের অনুষ্ঠানে জাস্টিন বিবারের পোশাক ছাড়াও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন কিংবদন্তি গায়িকা চের। ‘রেকর্ড অব দ্য ইয়ার’ ক্যাটাগরির বিজয়ী ঘোষণা করতে গিয়ে তিনি ভুলবশত ২০০৫ সালে প্রয়াত সংগীতশিল্পী লুথার ভ্যানড্রস-এর নাম বলেন। তবে দ্রুতই ভুল শুধরে দিয়ে আসল বিজয়ী কেনড্রিক লামার-এর নাম ঘোষণা করেন তিনি।
অনুষ্ঠান চলাকালীন অন্যান্য পারফরম্যান্স, বিশেষ অতিথি ও আলোচ্য বিষয়গুলোও সমালোচকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। বিশেষ করে বিবারের হাফপ্যান্ট পোশাক এবং চের-এর ভুলের ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। ফলে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের এই আসর শুধুমাত্র সংগীতের জন্য নয়, স্টাইল ও আকস্মিক মুহূর্তের জন্যও আলোচনায় আসে।
সংগীতপ্রেমীরা মন্তব্য করছেন, জাস্টিন বিবারের এ ধরনের স্বতন্ত্র স্টাইল এবং সাহসিকতা তাকে অন্য শিল্পীদের থেকে আলাদা করেছে। কিছু সমালোচকও বলেন, এটি হয়তো সাংস্কৃতিক ও ফ্যাশন স্ট্যান্ডার্ডের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। তবে সকলেই একমত যে, তার পারফরম্যান্সে গান ও স্টেজের ভিজ্যুয়াল দিক যথেষ্ট মজাদার ও স্মরণীয় ছিল।
আকাশজমিন / আরআর