শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশা ও বেপরোয়া গতির মোটরসাইকেলের মধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত খলিল আকন উপজেলার পুটিয়াখালি এলাকার ইমাম আকনের ছেলে। আহত মোটরসাইকেল চালক কাওসার আহমেদ বাকেরগঞ্জ উপজেলার বামনিকাঠি এলাকার আ. কাদের ফরাজির ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অটোরিকশাটি রাজাপুর থেকে সমবায় এলাকায় পৌঁছে আকনের হাটের দিকে যাওয়ার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় অটোরিকশা চালক খলিল আকন ঘটনাস্থলেই মারা যান। স্থানীয়রা দ্রুত আহত মোটরসাইকেল চালককে উদ্ধার করে পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে রাজাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য মরদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আহত কাওসার আহমেদকে তাৎক্ষণিকভাবে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসকরা জানান, তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, মহাসড়কে বেপরোয়া গতি ও অসতর্ক চালনার কারণে এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। তারা সড়কের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে গতিরোধক স্থাপন এবং ট্রাফিক পুলিশের নজরদারি জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন। তাদের মতে, কার্যকর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকলে দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব নয়।
ওসি মো. নজরুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখছে।
এ ধরনের সড়ক দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তদারকি বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন স্থানীয়রা।