ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মাশহাদে দাফন করা হবে আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৪ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৫:৩৪ পিএম

ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে দাফন করা হবে পবিত্র নগরী মাশহাদে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে দ্য টাইমস অব ইসরায়েল।

৮৬ বছর বয়সে শনিবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন খামেনি। তিনি টানা ৩৬ বছর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং দেশটির রাজনৈতিক, সামরিক ও পররাষ্ট্রনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ফার্স নিউজের খবরে বলা হয়েছে, খামেনির দাফন হবে মাশহাদের ইমাম রেজা মাজার প্রাঙ্গণে। তবে দাফনের নির্দিষ্ট তারিখ এখনো ঘোষণা করা হয়নি। রাষ্ট্রীয়ভাবে তার জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গেছে।

মাশহাদ ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর এবং খামেনির জন্মস্থান। ধর্মীয় গুরুত্বের দিক থেকেও শহরটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ইমাম রেজার মাজার শিয়া মুসলমানদের কাছে অন্যতম পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচিত। খামেনির পারিবারিক ঐতিহ্য ও জন্মস্থানের কারণে তাকে সেখানে সমাহিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, শনিবারের হামলায় খামেনি ছাড়াও দেশটির শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন সামরিক ও রাজনৈতিক নেতা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় দেশজুড়ে জাতীয় শোকের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

খামেনির মৃত্যুতে ইরানের রাজনৈতিক অঙ্গনে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে। তার দীর্ঘ নেতৃত্বকালে তিনি দেশটির নীতি নির্ধারণে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেন। ফলে তার দাফন অনুষ্ঠান ঘিরে ব্যাপক জনসমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে দাফন ও রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে এখনো বিস্তারিত কর্মসূচি প্রকাশ করেনি ইরানের সরকারি কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্ট মহল জানিয়েছে, শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

মাশহাদে দাফনের সিদ্ধান্তকে অনেকেই প্রতীকী গুরুত্বের দিক থেকে দেখছেন। কারণ খামেনির রাজনৈতিক ও ধর্মীয় পরিচয়ের সঙ্গে শহরটির গভীর সম্পর্ক রয়েছে। জন্মস্থানেই তার শেষ ঠিকানা নির্ধারণ ইরানের ভেতরে আবেগঘন পরিবেশ তৈরি করেছে।

বর্তমানে পুরো ইরানজুড়ে শোক ও অনিশ্চয়তার আবহ বিরাজ করছে। খামেনির দাফন ও পরবর্তী নেতৃত্ব নির্বাচন—দুটি বিষয়ই দেশটির রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আন্তর্জাতিক মহলও পরিস্থিতির দিকে গভীর নজর রাখছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর