ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মার্কিন সাবমেরিনের হামলায় ডুবল ইরানি যুদ্ধজাহাজ, নিহত ৮০


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৪ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৮:৫৭ পিএম

অনলাইন ডেস্ক

ভারত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সাবমেরিন ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। তিনি জানিয়েছেন, টর্পেডো ব্যবহার করে যুদ্ধজাহাজটি ডুবিয়ে দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদরদপ্তর পেন্টাগনে এক ব্রিফিংয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইরানে হামলার সর্বশেষ পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, ‘ভারত মহাসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সাবমেরিন ইরানের একটি যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে, যে যুদ্ধজাহাজটি আন্তর্জাতিক জলসীমায় নিজেকে নিরাপদ ভেবেছিল।’

এর আগে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, শ্রীলঙ্কার জলসীমার বাইরে একটি ইরানি ফ্রিগেট ডুবানো হয়েছে। শ্রীলঙ্কার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী স্থানীয় টেলিভিশন চ্যানেলকে জানিয়েছেন, ওই ঘটনায় কমপক্ষে ৮০ জন নিহত হয়েছেন।

পিট হেগসেথ আরও বলেন, ইরানের ওপর হামলা মার্কিন ও ইসরায়েলি বাহিনী কেবল শুরু করেছে এবং সামনের দিনগুলোতে এ ধরনের আরও বড় আকারের হামলা আসতে পারে। তিনি জানান, যুদ্ধ শুরুর এক সপ্তাহেরও কম সময়ের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আশা করছে ইরানের আকাশসীমার ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ নেওয়া সম্ভব হবে।

মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে আরও সেনা মোতায়েন করা হচ্ছে। যুদ্ধের জয় নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র সময় নেবে। তিনি বলেন, “এটি খুবই প্রাথমিক পর্যায়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেমন বলেছেন, সফল হওয়া নিশ্চিত করতে আমাদের যতটুকু সময়ের প্রয়োজন, আমরা ততটুকু নেব।”

বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারত মহাসাগরের এই হামলা মধ্যপ্রাচ্য এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি করতে পারে। ইরানি নৌবাহিনী এবং মার্কিন/ইসরায়েলি বাহিনী এই অঞ্চলে ব্যাপক সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখছে।

উল্লেখযোগ্য, ইরানি যুদ্ধজাহাজ ডুবানোর এই ঘটনায় মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের সামরিক শক্তি এবং আধুনিক যুদ্ধপ্রযুক্তি প্রদর্শন করেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, সামরিক সমন্বয় এবং পরিকল্পিত হামলার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রভাব বজায় রাখতে সক্ষম হবে।

এই ঘটনা আন্তর্জাতিক জলসীমায় উত্তেজনা বৃদ্ধির পাশাপাশি সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলোর জন্যও নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামরিক সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে ভারত মহাসাগর ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে পরিবহন ও জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর