আদালতে আনিস আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট তামান্না ফেরদৌস। রায়ে আদালত তাঁর জামিন বহাল রাখার সিদ্ধান্ত জানায়, যা দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর এ পর্যায়ে এলো।
এর আগে ২০২৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। পরে তাঁকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার দেখানো হয়। ১৫ ডিসেম্বর তাঁকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হলে জামিন আবেদন করা হয়।
তবে গত ২২ জানুয়ারি তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। ফলে তিনি রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় কারাগারে ছিলেন। দীর্ঘ শুনানি ও আইনি প্রক্রিয়ার পর হাইকোর্ট জামিন মঞ্জুর করায় তাঁর আইনগত লড়াইয়ে নতুন অগ্রগতি এসেছে।
এ মামলাটি নিয়ে সাংবাদিক মহলে ও গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়। আইনজীবীদের মতে, আদালতের এ সিদ্ধান্ত আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পর্যালোচনার সুযোগ তৈরি করেছে।