ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২ কমলা হ্যারিসের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশের চেষ্টা, পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার রাজধানীতে সকালের বৃষ্টিতে সড়কে ভোগান্তি, ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস ইয়েমেনে ফের তীব্র সংঘাত, ১২৯টি হামলার দাবি হুথিদের উত্তরখানে যুবলীগের গোপন বৈঠক, পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার ৮ বিচ্ছেদ গুঞ্জন উড়িয়ে ছেলের জন্মদিনে একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রী বিয়ের আনন্দ রূপ নিল বিষাদে, সড়কে ঝরল ৪ প্রাণ ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ভয়াবহ বিমান হামলা, ৯ জনের প্রাণহানি সুইডেনে সংসদ নির্বাচন: কট্টর ডানপন্থীদের সরকারে আসার জোর সম্ভাবনা

মবের ঘটনার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের উপদেষ্টা আহসান উল্লাহর পদত্যাগ


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৫ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৭:৩৪ পিএম

কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রাঙ্গণে মবের মুখে পড়ার ঘটনার জেরে পদত্যাগ করেছেন আহসান উল্লাহ, যিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। বুধবার (৪ মার্চ) তিনি নতুন গভর্নরের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠান বলে জানা গেছে।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে নতুন গভর্নর নিয়োগের দিন বাংলাদেশ ব্যাংক প্রাঙ্গণে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ওই সময় আহসান উল্লাহ মবের মুখে পড়েন এবং ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে তাঁর উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর থেকে তিনি আর অফিসে যাননি।

পদত্যাগপত্রে আহসান উল্লাহ উল্লেখ করেন, ওই দিন বিকেলে দাপ্তরিক গাড়িতে করে তিনি ব্যাংক প্রাঙ্গণ ত্যাগ করে মিরপুর ডিওএইচএসের বাসায় চলে যান। পরিস্থিতি বিবেচনায় গভর্নরের উপদেষ্টার মতো সম্মানজনক পদে দায়িত্ব পালন তাঁর জন্য স্বাচ্ছন্দ্যকর নয় বলে তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

নিয়ম অনুযায়ী, ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০ দিন পর তাঁর পদত্যাগ কার্যকর হবে। অর্থাৎ নির্ধারিত সময় শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি পদ থেকে অব্যাহতি পাবেন।

আহসান উল্লাহ বাংলাদেশ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। অবসরের পর তিনি একাধিকবার উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সর্বশেষ সাবেক গভর্নর আহসান এইচ মনসুর দায়িত্ব নেওয়ার পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংস্কার কার্যক্রম এগিয়ে নিতে তাঁকে পুনরায় উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এক বছরের কিছু বেশি সময় দায়িত্ব পালনের সময় তিনি পদোন্নতিতে পরীক্ষাপদ্ধতি চালু, জনবল কাঠামো পুনর্বিন্যাস ও কর্মমূল্যায়ন আধুনিকায়নসহ সংস্কারমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তবে এসব পরিবর্তনের ফলে অনেক কর্মকর্তার পদোন্নতির গতি ধীর হওয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তাদের একটি অংশের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয় বলে জানা গেছে।

পদত্যাগপত্রে তিনি দায়িত্ব পালনের সময় বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা ও সম্মানের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর