ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১০ কিমি যানজট শিক্ষা বোর্ডভিত্তিক এইচএসসি ফল: পাসের হারে বড় ব্যবধান হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করল সরকার বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ বিরোধীদলের লং মার্চের কোনো যৌক্তিকতা নেই: রুহুল কবির রিজভী মিরপুর টেস্টে চার দিনেই বাংলাদেশের বড় হার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় ৮ উইকেটে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ হত্যা: দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে আগুনে নিহত ৭ বাংলাদেশির লাশ দেশে পৌঁছেছে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪%, সামান্য কমলো সাফল্য ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

ইরাকে মার্কিন সামরিক ও কূটনৈতিক স্থাপনা নিশানা করে ড্রোন হামলা


  • আপলোড সময় : সোমবার ০৯ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৮:০০ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরাকে দুটি মার্কিন স্থাপনা নিশানা করে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। কুর্দিস্তান অঞ্চলের এরবিল বিমানবন্দরের কাছের একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। একই সময়ে ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে একটি মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও রকেট হামলা হয়েছে।

নিরাপত্তা সূত্র জানিয়েছে, এরবিলের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার ফলে গুরুতর কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। এছাড়া, বাগদাদে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে রকেট ও ড্রোন প্রতিরোধ করে ধ্বংস করেছে। হামলার ফলে স্থানীয় বা মার্কিন কোনো নাগরিক হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরাকে মার্কিন সামরিক ও কূটনৈতিক স্থাপনাগুলো মাঝে মাঝে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী বা বিদ্রোহী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হয়ে থাকে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে এলাকায় উত্তেজনা বেড়েছে। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে, বিশেষত বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিগুলোতে।

ইরাকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হামলার বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে। যারা হামলা চালিয়েছে তাদের শনাক্ত করা এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা প্রতিরোধ করা প্রশাসনের অগ্রাধিকার। পাশাপাশি মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছে, তারা পরিস্থিতি মনিটর করছে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

এরবিল ও বাগদাদে হামলার ঘটনা ইরাকের রাজনৈতিক ও সামরিক স্থিতিশীলতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এমন হামলা মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান উত্তেজনাকে আরও তীব্র করতে পারে।

ইরাকের সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ড্রোন হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি, নিরাপত্তা বাহিনী কূটনৈতিক ও সামরিক স্থাপনার সুরক্ষা জোরদার করছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা স্থানীয় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে হামলার তদন্ত করছেন। তারা সতর্ক করেছেন, যারা এমন হামলা চালায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নজর এখন ইরাকের দিকে।

এই ধরনের হামলা সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট উত্তেজনার এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। মার্কিন ও ইরাকি কর্মকর্তারা উভয়ই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছেন।



এ সম্পর্কিত আরো খবর