ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইসরাইলের সঙ্গে ‘সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতি’ চায় লেবানন


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৪:৩৬ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ইসরাইলের সঙ্গে ‘সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতি’ স্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, লেবাননের ওপর ইসরাইলের সব ধরনের স্থল, আকাশ ও নৌ হামলা বন্ধ করতে হবে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। এই আহ্বান জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি লেবাননের স্থিতিশীলতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেও গুরুত্বপূর্ণ।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, লেবাননের প্রেসিডেন্ট আন্তর্জাতিক সহায়তা ও পর্যবেক্ষণ চেয়েছেন। তিনি মনে করেন, লেবাননের সশস্ত্র বাহিনী উত্তেজনাপূর্ণ এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেবে এবং হিজবুল্লাহর অস্ত্রাগার ও মজুদ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করবে। লেবাননকে শান্তি ও স্থিতিশীল রাখতে এই পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন করা অপরিহার্য।

জোসেফ আউন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে সশস্ত্র বাহিনী দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণ করবে। এছাড়াও হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার পাশাপাশি তাদের অস্ত্র ও মজুদ কেন্দ্রগুলো ধ্বংস করা হবে। তিনি জানান, এই উদ্যোগের জন্য লেবানন সেনাবাহিনীর আন্তর্জাতিক সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রেসিডেন্ট আউন বলেন, লেবানন ও ইসরাইলের মধ্যে সরাসরি আলোচনা আন্তর্জাতিক তত্ত্বাবধানে হওয়া উচিত। এই আলোচনার মাধ্যমে উভয় দেশের মধ্যে সমঝোতা গড়ে উঠবে এবং দীর্ঘমেয়াদী শান্তি নিশ্চিত হবে। লেবাননের সরকার আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চায় যাতে এই পরিকল্পনা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত করা যায়।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন ছাড়া লেবানন নিজে এই পদক্ষেপ সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করতে পারবে না। তাই যুদ্ধবিরতির প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘ এবং অন্যান্য শান্তি রক্ষাকারী সংস্থার সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ।

সংবাদটি আরও জানিয়েছে, লেবাননের প্রেসিডেন্টের এই পদক্ষেপ ইসরাইল-লেবানন সীমান্তের উত্তেজনা কমাতে এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আশা করেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় লেবাননের সঙ্গে সহযোগিতা করবে এবং সামরিক উত্তেজনা বন্ধ করতে পদক্ষেপ নেবে।

জোসেফ আউনের এই আহ্বান মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের জন্যও শান্তির বার্তা বহন করছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, লেবাননের এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা অর্জন সম্ভব হতে পারে।

লেবাননের প্রেসিডেন্টের বক্তব্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে সাধারণ মানুষ নিরাপদে জীবন যাপন করতে পারবে, সীমান্তবর্তী এলাকায় হামলার ঝুঁকি কমবে এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিক হবে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর