ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গালফ উপকূলে ‘ডুমসডে প্লেন’, শঙ্কা পারমাণবিক হামলার


  • আপলোড সময় : বুধবার ১১ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৪:৩২ পিএম

যত সময় গড়াচ্ছে যুদ্ধের পরিধি বাড়ার সম্ভাবনা ততই বেড়ে যাচ্ছে। ইরানের সঙ্গে চলা ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ এখন পারমাণবিক শঙ্কাও বাড়াচ্ছে। বিশেষ করে আমেরিকার বিশেষ বিমানডুমসডে প্লেনেরআনাগোনা বাড়ায় উদ্বেগও বাড়ছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক ট্যাবলয়েড পত্রিকা ডেইলি মেইল জানিয়েছে, ফ্লাইট-ট্র্যাকিং তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর কৌশলগত কমান্ড বিমান -৬বি মার্কুরি একাধিকবার আকাশে উড়েছে। ওই দিনই ইরানকে ঘিরে সংঘাত নতুন মাত্রায় পৌঁছায়।

পরিবর্তিত বোয়িং ৭০৭ বিমানের কাঠামোর ওপর নির্মিত এই -৬বি মার্কুরি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে পারমাণবিক হামলার পরিস্থিতিতেও এটি টিকে থাকতে পারে। একই সঙ্গে আকাশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রতিক্রিয়া সমন্বয় করতে পারে। মূলত এটি একটি উড়ন্ত কমান্ড সেন্টার হিসেবে কাজ করে। প্রেসিডেন্ট বা প্রতিরক্ষামন্ত্রীর নির্দেশে পারমাণবিক অস্ত্রসজ্জিত সাবমেরিন, স্থলভিত্তিক ঘাঁটি এবং স্যাটেলাইটে পৌঁছে দিতে এটি সক্ষম।

গত মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে দুটি -৬বি বিমানের উড্ডয়ন শনাক্ত করা হয়। এর একটি গালফ উপকূল থেকে উড্ডয়ন করে মেরিল্যান্ড ঘাঁটিতে অবতরণ করে। অন্যটি নেব্রাস্কা থেকে উড্ডয়ন করে আবার সেখানেই ফিরে যায়। এরপর আরও কয়েকটি ফ্লাইট আটলান্টিক পেরিয়ে পারস্য উপসাগরের দিকে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এসব উড্ডয়ন সম্পর্কে নিরাপত্তাজনিত কারণে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্স মন্ত্রণালয়।

এই বিমানগুলো টেইক চার্জ এন্ড মুভ আউট নামে একটি বিশেষ মিশন পরিচালনা করে। এর উদ্দেশ্য হলোসাধারণ যোগাযোগ ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেলেও পারমাণবিক হামলার নির্দেশ যেন পৌঁছানো সম্ভব হয়। সংকটময় পরিস্থিতিতে এই বিমানগুলো দীর্ঘ সময় আকাশে অবস্থান করে নিরাপদ যোগাযোগ বজায় রাখে।

যদিও ধরনের বিমান প্রায়ই প্রশিক্ষণ বা প্রস্তুতি মহড়ার অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তবুও যখন ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে এবং পারমাণবিক ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, তখন এই মার্কুরি বিমানের সক্রিয় হওয়া শঙ্কা বাড়াচ্ছে।

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর