ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

অবশেষে মুক্তি পেলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর


সাংবাদিক আনিস আলমগীর

  • আপলোড সময় : শনিবার ১৪ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৪:১৪ পিএম

সাংবাদিক আনিস আলমগীর আদালত থেকে জামিন পাওয়ার দুই দিন পর গাজীপুরের Kashimpur Central Jail থেকে মুক্তি পেয়েছেন। শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাঁকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির সময় তাঁর স্ত্রীসহ স্বজনেরা কারাগারের সামনে উপস্থিত ছিলেন।

কারাগার সূত্রে জানা যায়, আনিস আলমগীরের জামিন সংক্রান্ত কাগজপত্র কারাগারে পৌঁছানোর পর নিয়ম অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করা হয়। যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর আজ শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি দেওয়া হয়।

কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২ এর জেল সুপার মো. আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গতকাল শুক্রবার আনিস আলমগীরের জামিনের কাগজ কারাগারে পৌঁছায়। পরে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে আজ দুপুর আড়াইটার দিকে তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। মুক্তির সময় তাঁর স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ১১ মার্চ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি শেষে আনিস আলমগীরের জামিন মঞ্জুর করেন। আদালতের এই সিদ্ধান্তের পর জামিনের কাগজপত্র কারাগারে পাঠানো হয় এবং আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তাঁর মুক্তির পথ সুগম হয়।

জানা গেছে, গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর ধানমন্ডির একটি ব্যায়ামাগার থেকে আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যায় Dhaka Metropolitan Police-এর গোয়েন্দা বিভাগ। পরদিন তাঁকে উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে তাঁকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে ওই মামলায় ৫ মার্চ তাঁকে জামিন দেন উচ্চ আদালত।

এর মধ্যেই গত ১৫ জানুয়ারি আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একটি মামলা দায়ের করে। মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে ৩ কোটি ২৬ লাখ ৪৮ হাজার ৯৩৮ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়।

পরবর্তীতে ২৫ জানুয়ারি এই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে দুদক। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করলে তাঁকে ওই মামলাতেও গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে সেই মামলায়ও তিনি জামিন লাভ করেন।

সব মামলায় জামিন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অবশেষে শনিবার তাঁকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাঁর মুক্তির খবরে স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর