ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যুদ্ধের মধ্যেও আরব আমিরাতের সঙ্গে ইসরায়েলের বন্ধুত্ব অটুট


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৪ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৬:৩৪ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্ব অটুট রয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। দখলদার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতেও দুই দেশের সম্পর্ক দৃঢ় রয়েছে এবং তা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার মাধ্যমে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

ইসরায়েলি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশটিতে অবস্থানরত ইসরায়েলি নাগরিকদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ধন্যবাদ জানিয়েছে তারা। যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে ভ্রমণ ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় নানা ধরনের জটিলতা তৈরি হলেও আমিরাত কর্তৃপক্ষ সহযোগিতা করেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের বন্ধুত্ব দৃঢ় রয়েছে। শান্তির সময় যেমন এই সম্পর্কের দৃঢ়তা প্রমাণিত হয়েছে, তেমনি যুদ্ধের সময়ও এর মূল্য ও গুরুত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠছে।’

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা উভয় পক্ষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, নিরাপত্তা ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট Mohamed bin Zayed Al Nahyan এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu-এর নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে বলে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন।

ইসরায়েলের সঙ্গে শক্তিশালী বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকলেও যুদ্ধ শুরুর পর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাত আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির প্রভাবের মুখে পড়েছে। বিশেষ করে ইরানের হামলার সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু হিসেবে দেশটির নাম উঠে আসায় ভ্রমণ ও আকাশপথ ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।

এদিকে ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথভাবে চালানো সামরিক অভিযানে ইরান বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে।

নেতানিয়াহু বলেন, এসব হামলার ফলে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল হয়েছে এবং এতে ইসরায়েলের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। তিনি আরও মন্তব্য করেন, ‘ইরান আর আগের সেই ইরান নেই।’

তবে বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহুর এই বক্তব্যের পেছনে রাজনৈতিক হিসাবও থাকতে পারে। বিশেষ করে আসন্ন নির্বাচনের আগে যুদ্ধ পরিস্থিতিকে ইসরায়েলের পক্ষে ইতিবাচকভাবে তুলে ধরার কৌশল হিসেবে এই ধরনের বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করছেন তারা।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক সমীকরণ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্ক বজায় থাকা আঞ্চলিক রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

সূত্র: Al Jazeera

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর