ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিরাতের প্রধান বন্দরের কাছে ট্যাঙ্কার জাহাজে হামলা


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬ সময় : ২:০৫ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান সমুদ্রবন্দর ফুজাইরাহ-এর কাছে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার জাহাজে হামলা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার ভোরের দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ সংস্থা ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন (ইউকেএমটি ও)।

ফুজাইরাহ বন্দর ওমান উপসাগরের তীরবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। হামলার শিকার ট্যাঙ্কারটি ফুজাইরাহ থেকে ২৩ নটিক্যাল মাইল দূরে নোঙ্গর অবস্থায় ছিল। ইউকেএমটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাহাজটির উপর বিস্ফোরক কোনো বস্তু আঘাত হেনেছে। তবে হামলার মাধ্যম—ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র অথবা অন্য কোনো অস্ত্র—সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যায়নি। হামলায় জাহাজটির বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং কোনো নিহত বা আহতের ঘটনা ঘটেনি।

ফুজাইরাহ সমুদ্রবন্দর সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। আমিরাতের অধিকাংশ তেল ও জ্বালানি এই বন্দরের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে পাঠানো হয়। তবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর পর এই বন্দরকে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাবে এমন হামলার ঘটনা আশঙ্কাজনক। জ্বালানি সরবরাহে কোনও ধরনের বাধা বা হুমকি আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ও নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষত ফুজাইরাহ বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে প্রভাবিত করতে পারে।

এছাড়া ইউকেএমটির বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, হামলার পরে দ্রুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং ট্যাঙ্কারগুলোর নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য পর্যবেক্ষণ বাড়ানো হয়েছে। বন্দরের কর্মকর্তারা জানিয়েছে, তারা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং দায়ীদের চিহ্নিত করতে কাজ করছে।

মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত এবং বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে ফুজাইরাহ বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলা বেড়ে যেতে পারে। এর প্রভাব আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ।

বর্তমানে বন্দরে যাত্রীবাহী জাহাজ ও অন্যান্য বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ফুজাইরাহ বন্দরের নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলোকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে কোনও অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।


এ সম্পর্কিত আরো খবর