ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬,  ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১০ কিমি যানজট শিক্ষা বোর্ডভিত্তিক এইচএসসি ফল: পাসের হারে বড় ব্যবধান হারুন অর রশীদকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করল সরকার বেতন-ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আবারও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক অবরোধ বিরোধীদলের লং মার্চের কোনো যৌক্তিকতা নেই: রুহুল কবির রিজভী মিরপুর টেস্টে চার দিনেই বাংলাদেশের বড় হার, ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় ৮ উইকেটে সাবেক বিমানবাহিনী কর্মকর্তা তাহসিফ হত্যা: দীপ ৪ দিনের রিমান্ডে সৌদিতে আগুনে নিহত ৭ বাংলাদেশির লাশ দেশে পৌঁছেছে ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৫১.৪৪%, সামান্য কমলো সাফল্য ৩০ হাজার টাকা বেতনের দাবিতে মিরপুরে পোশাক শ্রমিকদের সড়ক অবরোধ

আমিরাতের প্রধান বন্দরের কাছে ট্যাঙ্কার জাহাজে হামলা


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১৭ মার্চ, ২০২৬ সময় : ২:০৫ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রধান সমুদ্রবন্দর ফুজাইরাহ-এর কাছে একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার জাহাজে হামলা ঘটেছে। আজ মঙ্গলবার ভোরের দিকে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে নিশ্চিত করেছে ব্রিটিশ সংস্থা ইউকে মেরিটাইম ট্রেড অপারেশন (ইউকেএমটি ও)।

ফুজাইরাহ বন্দর ওমান উপসাগরের তীরবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত। হামলার শিকার ট্যাঙ্কারটি ফুজাইরাহ থেকে ২৩ নটিক্যাল মাইল দূরে নোঙ্গর অবস্থায় ছিল। ইউকেএমটির বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাহাজটির উপর বিস্ফোরক কোনো বস্তু আঘাত হেনেছে। তবে হামলার মাধ্যম—ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র অথবা অন্য কোনো অস্ত্র—সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যায়নি। হামলায় জাহাজটির বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং কোনো নিহত বা আহতের ঘটনা ঘটেনি।

ফুজাইরাহ সমুদ্রবন্দর সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। আমিরাতের অধিকাংশ তেল ও জ্বালানি এই বন্দরের মাধ্যমে বিশ্ববাজারে পাঠানো হয়। তবে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরুর পর এই বন্দরকে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাবে এমন হামলার ঘটনা আশঙ্কাজনক। জ্বালানি সরবরাহে কোনও ধরনের বাধা বা হুমকি আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ও নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষত ফুজাইরাহ বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যকে প্রভাবিত করতে পারে।

এছাড়া ইউকেএমটির বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, হামলার পরে দ্রুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং ট্যাঙ্কারগুলোর নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য পর্যবেক্ষণ বাড়ানো হয়েছে। বন্দরের কর্মকর্তারা জানিয়েছে, তারা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং দায়ীদের চিহ্নিত করতে কাজ করছে।

মধ্যপ্রাচ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত এবং বিভিন্ন অঞ্চলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে ফুজাইরাহ বন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হামলা বেড়ে যেতে পারে। এর প্রভাব আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিস্বরূপ।

বর্তমানে বন্দরে যাত্রীবাহী জাহাজ ও অন্যান্য বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ফুজাইরাহ বন্দরের নিরাপত্তা দায়িত্বে থাকা সংস্থাগুলোকে সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে কোনও অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।


এ সম্পর্কিত আরো খবর