ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

মাধবপুর সীমান্ত থেকে গাঁজা উদ্ধার, আসামি পলাতক


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৯ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৯:১৫ পিএম

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ২২ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় জড়িত মূল আসামি পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

রোববার (২৯ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি)-এর ধর্মঘর বিওপির একটি বিশেষ টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার কালিকাপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় একটি বাড়ির পাশের ড্রামের ভেতরে লুকানো অবস্থায় বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, উদ্ধার হওয়া গাঁজার পরিমাণ প্রায় ২২ কেজি, যা ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মাদকগুলো কৌশলে ড্রামের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল, যাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে তা সরিয়ে নেওয়া যায়।

অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট একজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি হলেন—মোঃ সোহেল মিয়া (৩৫), পিতা: মৃত আব্দুল আলী, গ্রাম: কালিকাপুর, উপজেলা: মাধবপুর, জেলা: হবিগঞ্জ। অভিযানের সময় তিনি পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।

বিজিবি জানিয়েছে, এ ঘটনায় মাধবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সরাইল ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহমেদ বলেন, “উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য মাধবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় মাদকসহ সব ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।”

স্থানীয়দের মতে, সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই মাদক চোরাচালান একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। চোরাচালানকারীরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে মাদক দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। এতে যুবসমাজের মধ্যে মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

তারা মনে করছেন, এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হলে মাদক চোরাচালান অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সীমান্ত এলাকায় টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানো হলে মাদকসহ অন্যান্য অবৈধ পণ্য চোরাচালান রোধ করা সম্ভব হবে। বিজিবির সাম্প্রতিক এই অভিযানে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানা গেছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর