ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল ‘স্থায়ীভাবে’ দখল করতে চায় ইসরায়েল


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ৩১ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৭:০১ পিএম

লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল ইসরায়েলের স্থায়ী দখলের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) তিনি এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) লেবাননের মধ্যে একটি ‘নিরাপত্তা অঞ্চল’ তৈরি করবে এবং লিতানি নদী পর্যন্ত পুরো এলাকায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখবে।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও দাবি করেন, যুদ্ধের কারণে বাস্তুচ্যুত লেবাননের বাসিন্দাদের ওই অঞ্চলে ফিরে আসতে দেওয়া হবে না। এছাড়া, সীমান্তবর্তী গ্রামগুলোতে বিশেষ অভিযান চালানোর সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেন তিনি।

এই ঘোষণা এসেছে হিজবুল্লাহর সঙ্গে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে। লিতানি নদী লেবাননের দীর্ঘতম অভ্যন্তরীণ নদী এবং বেকা উপত্যকা থেকে উৎপন্ন হয়ে ভূমধ্যসাগরে পতিত হয়। এই নদী এবং নদীর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ইসরায়েলের এই পরিকল্পনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল দখল করলে সেখানে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিপন্ন হতে পারে। সশস্ত্র সংঘাত চলাকালে নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং স্থানীয় জনসংখ্যার অধিকার সংরক্ষণ করা বড় চ্যালেঞ্জ হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল দখল ইসরায়েলের নিরাপত্তা চাহিদা মেটাতে পারে, কিন্তু এটি দীর্ঘমেয়াদি ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করবে। হিজবুল্লাহ এবং ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সংঘাত, স্থানীয় জনসংখ্যার বাস্তুচ্যুত এবং নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধি নিয়ে আন্তর্জাতিকভাবে তীব্র সমালোচনা হতে পারে।

এছাড়া, লেবাননের রাজনৈতিক ও সামরিক প্রস্তুতি, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক, মানবাধিকার সংস্থা এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো এই নতুন পরিস্থিতির প্রতি সতর্ক নজর রাখছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর