ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শেয়ারবাজারে আসছে স্পেসএক্স, বাজারমূল্য ১ ট্রিলিয়ন ডলার


  • আপলোড সময় : শনিবার ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৩:১৮ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মহাকাশ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স শেয়ারবাজারে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রাথমিক শেয়ার ছাড় বা আইপিও সম্পন্ন হলে প্রতিষ্ঠানটির বাজারমূল্য ১ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে বিশ্লেষকরা ধারণা করছেন।

প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক-এর এই উদ্যোগ প্রযুক্তি খাতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, আইপিওর পর স্পেসএক্স বিশ্বের সবচেয়ে মূল্যবান পাবলিক কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি হয়ে উঠতে পারে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্পেসএক্স আগামী জুন মাসের মধ্যে শেয়ারবাজারে আসার পরিকল্পনা করছে। আইপিওর মাধ্যমে অন্তত ৫০ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহের লক্ষ্য রয়েছে। শেয়ারবাজারে আসার আগে প্রতিষ্ঠানটি ‘রোডশো’ আয়োজন করবে, যেখানে বড় বিনিয়োগকারীদের কাছে স্পেসএক্সের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরা হবে।

বর্তমানে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্পেসএক্সের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়ন প্রায় ১ দশমিক ২৫ ট্রিলিয়ন ডলার। এটি ইতিমধ্যেই বিশ্বের অন্যতম মূল্যবান বেসরকারি কোম্পানি। আইপিও সফল হলে ইলন মাস্ক ব্যক্তিগত সম্পদ বাড়িয়ে বিশ্বের প্রথম ট্রিলিয়নিয়ার হওয়ার পথে এগোতে পারেন।

স্পেসএক্সের সম্প্রতি কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হয়েছে। চলতি বছরেই ইলন মাস্কের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রতিষ্ঠান এক্সএআইকে অধিগ্রহণ করেছে স্পেসএক্স। এর ফলে প্রতিষ্ঠানগুলো একে অপরের সঙ্গে সম্পদ ও প্রযুক্তি ভাগাভাগি করতে পারবে। এছাড়া টেসলা-ও এক্সএআই-তে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করেছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রমেই যুক্ত হয়ে একটি বৃহৎ প্রযুক্তি ইকোসিস্টেম তৈরি করছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মহাকাশ প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং অবকাঠামো খাতে দ্রুত সম্প্রসারণের জন্য বিপুল অর্থের প্রয়োজন। এই অর্থ সংগ্রহের অন্যতম উপায় শেয়ারবাজারে যাওয়া।

২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত স্পেসএক্স মূলত পুনঃব্যবহারযোগ্য রকেট তৈরি এবং উৎক্ষেপণ খরচ কমানোর লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে। ২০০৬ সালে নাসা-এর সঙ্গে প্রথম চুক্তি করে প্রতিষ্ঠানটি।

বর্তমানে স্পেসএক্সের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে রকেট উৎক্ষেপণ এবং স্টারলিংক স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক পরিচালনা। এর মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে মহাকাশে ডেটা সেন্টার স্থাপন এবং মঙ্গল গ্রহে স্বনির্ভর শহর গড়ে তোলা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই উচ্চ লক্ষ্য অর্জনে শেয়ারবাজারের মাধ্যমে অর্থায়ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

স্পেসএক্সের আইপিও প্রযুক্তি খাতের বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সুযোগ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে কোম্পানির অবস্থান শক্তিশালী করবে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর