ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরান ভূপাতিত করলো ১৬০+ শত্রু ড্রোন ও যুদ্ধবিমান


  • আপলোড সময় : শনিবার ০৪ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৫:৫৮ পিএম

ইরানের সেনাবাহিনী ও ইসলামিক রেভোলিউশনরি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিটগুলো সফলভাবে শত্রুপক্ষের ১৬০টিরও বেশি ড্রোন, কয়েকটি উন্নত যুদ্ধবিমান এবং কয়েক ডজন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী রেজা এলহামি বলেছেন, এই অভিযানের মাধ্যমে ইরান আক্রমণকারীদের ‘কাল্পনিক প্রোপাগান্ডা’ ভেঙে দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ইরানি বাহিনী সর্বদা শত্রু যুদ্ধবিমান ও ড্রোনের জন্য সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। ভূপাতিত ড্রোনের মধ্যে এমকিউ-৯, হার্মিস এবং লুকাস মডেলের ড্রোনও রয়েছে। এলহামি উল্লেখ করেছেন, চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মের শত্রু যুদ্ধবিমান ধ্বংসের ক্ষেত্রে ইরানি ইউনিটগুলোর কৌশলগত দক্ষতা, আধুনিক সরঞ্জাম ব্যবহার এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার নৈপুণ্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ইরানি সেনাবাহিনী আকাশ প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ককে ঐক্যবদ্ধ হিসেবে চালু রেখেছে এবং যেকোনো মূল্যে ইরানের আকাশ সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এলহামি জানান, শত্রুপক্ষের আধুনিক ড্রোন এবং যুদ্ধবিমানগুলোর ধ্বংস কৌশলগতভাবে শত্রুকে বিভ্রান্ত করছে এবং দেশের আকাশ সুরক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার হত্যার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানজুড়ে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালায়। ওই হামলায় ইরানের সামরিক ও বেসামরিক অবকাঠামোয় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং বহু মানুষ হতাহত হন।

ইরানের সশস্ত্র বাহিনী জবাবে মধ্যপ্রাচ্য এবং আঞ্চলিক ঘাঁটিগুলোতে অবস্থানরত মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে। ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এলহামি বলেন, ইরানি বাহিনী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় একাধারে আধুনিক প্রযুক্তি, কৌশলগত পরিকল্পনা এবং ইউনিটের সক্ষমতা ব্যবহার করছে, যা আক্রমণকারীদের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, এই আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ইরান শত্রুপক্ষের হামলার আগেই প্রতিরোধ করতে সক্ষম হচ্ছে। ভূপাতিত ড্রোন ও যুদ্ধবিমানের মধ্যে এমকিউ-৯, হার্মিস এবং লুকাস মডেলগুলোর ধ্বংসের ঘটনা ইরানের কৌশলগত সক্ষমতার একটি প্রতিফলন।

ইরানজুড়ে আকাশ প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রতিটি ইউনিট শত্রুর যেকোনো হুমকি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে। এলহামি বলেন, “আমরা চাই, কেউ ইরানের আকাশ সীমানা লঙ্ঘন করতে না পারে। শত্রুদের জন্য আমাদের প্রস্তুতি সর্বদা প্রস্তুত।”

এই পদক্ষেপ ইরান ও তার আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক সরঞ্জাম ও কৌশলগত দক্ষতার সংমিশ্রণে ইরানি বাহিনী মধ্যপ্রাচ্যে শক্ত অবস্থানে রয়েছে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর