ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

এক ঘণ্টা বাড়ল মার্কেট খোলা রাখার সময়


  • আপলোড সময় : রবিবার ০৫ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৪:২৩ পিএম

দেশের সব দোকানপাট ও শপিং মল সন্ধ্যা ছয়টার পরিবর্তে এখন থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে। পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে এ নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। রোববার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এ তথ্য জানান।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সংকট দেখা দেওয়ায় বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকার আগে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, দেশের সব দোকানপাট ও শপিং মল সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। এ সিদ্ধান্ত রোববার থেকেই কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।

তবে এ সিদ্ধান্তের পরপরই ব্যবসায়ী মহলে উদ্বেগ দেখা দেয়। দোকানমালিকেরা জানান, সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে হলে তাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে। এ অবস্থায় তারা সময়সীমা পুনর্বিবেচনার দাবি জানান।

বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে আবেদন করেন। তারা বলেন, প্রয়োজনে সকাল ৯টার পরিবর্তে বেলা ১১টায় দোকান খোলা হবে, কিন্তু সন্ধ্যা ছয়টার পরিবর্তে অন্তত রাত আটটা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

এ দাবির প্রেক্ষিতে শনিবার রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করেন দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতারা। বৈঠকে তারা ব্যবসায়িক ক্ষতির বিষয়টি বিস্তারিত তুলে ধরেন এবং সময় বাড়ানোর যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করেন। পরবর্তীতে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনা হলে তিনি ব্যবসায়ীদের দাবি বিবেচনায় নিয়ে আগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দেন।

রোববারের ব্রিফিংয়ে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রথমে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। তবে দোকান মালিক সমিতির নেতাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তা পুনর্বিবেচনা করা হয়। এখন থেকে সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত দোকান খোলা রাখা যাবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এবং ব্যবসায়ীদের জীবিকা বিবেচনায় নিয়েই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকার একদিকে যেমন বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে, অন্যদিকে ব্যবসা-বাণিজ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

এই সিদ্ধান্তের ফলে ব্যবসায়ীরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সাধারণ ক্রেতারাও কেনাকাটার জন্য অতিরিক্ত সময় পাবেন। তবে সরকার পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। জ্বালানি সংকট যদি আরও তীব্র হয়, তাহলে ভবিষ্যতে আবারও সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হতে পারে। বর্তমানে নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, দেশের সব দোকানপাট ও শপিং মল প্রতিদিন সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। এ নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর