ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নোরা ফাতেহিকে সময় বেঁধে দিল জাতীয় নারী কমিশন


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৮ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৩:৪১ পিএম

বিনোদন ডেস্ক:
দক্ষিণ ভারতীয় বড় বাজেটের অ্যাকশন ছবি ‘কেডি: দ্য ডেভিল’–এর নতুন গান ‘সরকে চুনর তেরি সরকে’ প্রকাশের পর সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। গানটিতে পারফর্ম করেছেন অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত ও নোরা ফাতেহি। তবে মুক্তির সঙ্গে সঙ্গে অনেক দর্শক গানটির ভাষা ও নাচকেও ‘অশালীন’ ও ‘যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ’ হিসেবে সমালোচনা করেছেন।

বিতর্কের কারণে গানটি ইউটিউব থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়। এরপর গানটির অশালীন কথাবার্তা এবং কুরুচিকর দৃশ্যায়নের অভিযোগে ভারতের জাতীয় নারী কমিশন নড়েচড়ে বসেছে। সোমবার এক শুনানিতে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সৃজনশীলতার নামে নারীর মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা মোটেই বরদাশত করা হবে না।

গানটি নিয়ে অভিযোগ ওঠার পর জাতীয় নারী কমিশন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে মামলা দায়ের করে। সোমবারের শুনানিতে ছবির পরিচালক প্রেম, গীতিকার রাকিব আলম এবং প্রযোজনা সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তবে অনুপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। নোরার পক্ষ থেকে তাঁর আইনজীবী উপস্থিত থাকলেও কমিশন তা গ্রহণযোগ্য মনে করেনি। Consequently, অভিনেত্রীকে সরাসরি হাজির হওয়ার জন্য ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে সঞ্জয় দত্তকেও ৮ এপ্রিল কমিশনের সামনে উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুনানি চলাকালীন জাতীয় নারী কমিশনের চেয়ারপারসন অত্যন্ত অসন্তোষের সঙ্গে বলেন, “সৃজনশীলতার নামে নারীর মর্যাদার সঙ্গে আপস একেবারেই করা যায় না।” যদিও ছবির নির্মাতারা দাবি করেছিলেন যে তাঁরা গানের কথার গভীর অর্থ বুঝতে পারেননি, কমিশন সেই যুক্তি খারিজ করে দিয়েছে।

শেষমেশ নির্মাতারা নিজেদের ভুলের জন্য লিখিতভাবে ক্ষমা চেয়েছেন এবং স্বীকার করেছেন যে গানটি সমাজে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তারা জানিয়েছে, আগামী তিন মাস তারা নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন কাজ করবেন এবং সেই রিপোর্ট কমিশনে জমা দেবেন।

গানটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের প্রতিক্রিয়া দুই দিকে ভাগ হয়ে গেছে। একদিকে কেউ সৃজনশীলতা ও নৃত্যকলা রক্ষার পক্ষপাতী, অন্যদিকে অনেকেই বলেছেন, সিনেমার মাধ্যমে নারীর মর্যাদা হ্রাস করা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।

নির্মাতাদের প্রতিশ্রুতিতে দেখা যাচ্ছে, সামনের দিনে ভারতীয় চলচ্চিত্রে নারী সম্মান রক্ষার জন্য আরও সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রয়োগ হতে পারে। এই ঘটনা সমালোচনার পাশাপাশি বিনোদন জগতের সৃজনশীলতার সীমারেখা নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আকাশজমিন / আরআর     


এ সম্পর্কিত আরো খবর