ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

হিজবুল্লাহপ্রধানের ভাতিজাকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৯ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৬:০০ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, তারা লেবাননের রাজনৈতিক ও সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর প্রধান নাঈম কাসেমের ভাতিজাকে হত্যা করেছে। এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে বুধবার রাতে, যখন লেবাননের রাজধানী বৈরুতের একটি এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালায়।

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা বৈরুত এলাকায় আলি ইউসুফ হারশিকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে তাকে নির্মূল করেছে। আলি ইউসুফ হারশি ছিলেন হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেমের ব্যক্তিগত সচিব এবং একই সঙ্গে তার ভাতিজা। আইডিএফ জানায়, এই অভিযান হিজবুল্লাহর সশস্ত্র কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।

হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে সংগঠনটি অতীতে যে কোনো ধরনের হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে। এর ফলে, বৈরুত ও লেবাননের অন্যান্য এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্র জানায়, আক্রমণের পর পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনী কড়া অবস্থান নিয়েছে এবং সম্ভাব্য সংঘাত প্রতিরোধে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এই হামলার সঙ্গে যুক্ত ইসরায়েলের নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক দিকগুলোও বিশেষ গুরুত্ব পাবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এই হামলা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা এবং দেশটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই পরিচালিত হয়েছে। তবে বৈশ্বিক পর্যবেক্ষকরা আশঙ্কা করছেন, এটি লেবানন ও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়াতে পারে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, হিজবুল্লাহ মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ও সামরিক সংগঠনগুলোর একটি। এ ধরনের হামলা সংগঠনটির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে, তবে এর প্রতিশোধমূলক কার্যক্রমও সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে।

বৈরুতের স্থানীয় নাগরিকরা জানাচ্ছেন, হামলার সময় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তারা বলেন, এই ধরনের ঘটনা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করে এবং সামরিক উত্তেজনা বাড়ায়। নিরাপত্তা বাহিনী এলাকায় পর্যবেক্ষণ এবং ভৌগোলিক নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়েছে।

বিশ্বজুড়ে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের হত্যাকাণ্ড দীর্ঘমেয়াদে মধ্যপ্রাচ্যে রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা বাড়াতে পারে। ইসরায়েলি পক্ষ হামলার যৌক্তিকতা বিবেচনা করলেও, লেবানন ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মানবিক ও রাজনৈতিক দিকগুলো নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

এই ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি নতুন মোড় নিতে পারে এবং বৈশ্বিক কূটনৈতিক সম্প্রদায় বিষয়টি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। আগের মতোই, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা হামলার প্রভাব, সম্ভাব্য প্রতিশোধ এবং ভবিষ্যতে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণের পথগুলো নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর