ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সমুদ্রপথে ইরানের বাণিজ্য বন্ধের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের


  • আপলোড সময় : বুধবার ১৫ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ১১:৫৫ এএম

যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, ইরানের বন্দরগুলো দিয়ে সমুদ্রপথে সব ধরনের অর্থনৈতিক লেনদেন ও বাণিজ্য কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর মতে, এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র বাণিজ্য পথ সম্পূর্ণভাবে অচল করে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার বলেছেন, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধ ‘পুরোপুরি কার্যকর’ করা হয়েছে এবং মাত্র ৩৬ ঘণ্টার মধ্যেই সমুদ্রপথে ইরানের ভেতরে ও বাইরে সব ধরনের অর্থনৈতিক কার্যক্রম বন্ধ করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে বলেন, ইরানের অর্থনীতির প্রায় ৯০ শতাংশই সমুদ্রপথে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল। তাই এই অবরোধ কার্যকর হওয়ার ফলে দেশটির বাণিজ্য কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার আরও দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যের সমুদ্রসীমায় বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বজায় রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, এই অঞ্চলের সমুদ্রপথে যেকোনো ধরনের চলাচল এখন কঠোর নজরদারির মধ্যে রয়েছে।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দিয়েছিল যে, ইরানের উপকূলীয় এলাকা বা বন্দরগুলোতে যেকোনো দেশের জাহাজ প্রবেশ বা বের হওয়ার ক্ষেত্রে এই অবরোধ কঠোরভাবে কার্যকর করা হবে। এতে আন্তর্জাতিক নৌচলাচলেও প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের ওপর এই ধরনের অর্থনৈতিক চাপ মূলত দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি এবং অন্যান্য রাজনৈতিক ইস্যুতে সমঝোতায় আনতে কৌশলগতভাবে নেওয়া পদক্ষেপ। সমুদ্রপথে বাণিজ্য বন্ধের ফলে ইরানের অর্থনীতি আরও বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়তে পারে।

এদিকে এই পরিস্থিতি ঘিরে আন্তর্জাতিক বাজারেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি তেল ও গ্যাস সরবরাহে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা জানিয়েছে, এই অবরোধ কার্যকর থাকলে শুধু ইরান নয়, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি ও বাণিজ্য ব্যবস্থায়ও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর