ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী তিন নিরাপত্তারক্ষীসহ অপহৃত কালাতের রাজপুত্র শাহজাদা আহমেদজাই 'আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স' শব্দ নিষিদ্ধের ঘোষণা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নারী পরীক্ষকের সামনে পুরুষরা কম ব্যথা অনুভব করেন: নতুন গবেষণা উইন্ডিজের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নেই মুশফিক! কাঁদুনে গ্যাসে ফরাসি বিক্ষোভকারীর মৃত্যু, পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অধ্যায় শেষ, দাবি বিরোধী নেতা আইজেনকোটের ফেনারবাখচেকে হারিয়ে ইউরোলিগে ভ্যালেন্সিয়ার দুর্দান্ত জয়

প্রশ্নফাঁস রোধে বিশেষ মনিটরিং সেল গঠন : শিক্ষামন্ত্রী


  • আপলোড সময় : সোমবার ২০ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৬:৫৫ পিএম

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সরকার কঠোর নজরদারি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। প্রশ্নফাঁস ও গুজব প্রতিরোধে বিশেষ মনিটরিং সেল গঠনসহ অনলাইন পর্যবেক্ষণ জোরদার করা হয়েছে।

সোমবার (২০ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রিক যেকোনো অনিয়ম দ্রুত শনাক্ত ও প্রতিরোধে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি সমন্বিত ডিজিটাল নেটওয়ার্ক চালু করা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, দ্রুত তথ্য আদান-প্রদানের জন্য জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)-দের যুক্ত করে একটি বিশেষ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ তৈরি করা হয়েছে, যার মাধ্যমে সারা দেশের পরীক্ষা পরিস্থিতি তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, প্রশ্নফাঁস রোধে সাইবার অপরাধ দমন কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র পরিবহন ও বিতরণ প্রক্রিয়ায় জড়িত ব্যক্তিদের তালিকা তৈরি করে গোয়েন্দা নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিটি পরীক্ষাকেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা সচল আছে কি না, তা কঠোরভাবে যাচাই করা হচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, পাবলিক পরীক্ষা আইন ১৯৮০ সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যেখানে ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধকে কঠোর শাস্তির আওতায় আনার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। সংশোধিত খসড়া বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের পর্যায়ে রয়েছে।

খাতা মূল্যায়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পরীক্ষকদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ‘মানবিক নম্বর’ দেওয়ার গুজব সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।

তিনি আরও বলেন, শ্রেণিকক্ষে মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করতে না পারায় শিক্ষার্থীরা কোচিংমুখী হচ্ছে, যদিও এসব কোচিং সেন্টারের কোনো সরকারি নিবন্ধন নেই।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর