ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানি জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্রের ডেস্ট্রয়ার


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৫ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ১২:৫১ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রের গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা’ (ডিডিজি-১১৫) ইরানের একটি বন্দরের দিকে যাত্রারত ইরানি পতাকাবাহী একটি জাহাজকে গতিরোধ করে জব্দ করেছে বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।

সেন্টকমের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গতকাল শুক্রবার জাহাজটি ইরানের একটি বন্দরের দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় সেটিকে বাধা দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে জব্দ করা হয়। ঘটনাটি আন্তর্জাতিক নৌপথে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ঘটেছে বলে জানানো হয়েছে।

সেন্টকম আরও জানায়, ওই জাহাজটি ইরানি পতাকাবাহী ছিল এবং সেটি নির্দিষ্ট রুট অনুসরণ করে একটি ইরানি বন্দরের দিকে যাচ্ছিল। তবে কেন এবং কোন পরিস্থিতিতে জাহাজটি আটক করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এদিকে ঘটনাটি ঘিরে আন্তর্জাতিক নৌপরিবহন ব্যবস্থায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগর অঞ্চলে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এ ধরনের পদক্ষেপ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, সমুদ্রপথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সম্ভাব্য হুমকি প্রতিরোধের অংশ হিসেবেই এই ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তবে ইরানের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা (ডিডিজি-১১৫) একটি গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, যা যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর অত্যাধুনিক যুদ্ধজাহাজগুলোর একটি। এটি মূলত সমুদ্রপথে নজরদারি, প্রতিরক্ষা এবং প্রয়োজন হলে আক্রমণাত্মক অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা রাখে।

সাম্প্রতিক সময়ে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি এলাকায় নৌ চলাচল নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নৌ অবরোধ জোরদার করার ঘোষণা দেয়, যা বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহন ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের জাহাজ জব্দের ঘটনা আন্তর্জাতিক আইন ও নৌপরিবহন নিরাপত্তা নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করতে পারে। কারণ, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড পুরো পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট এলাকায় অতিরিক্ত নৌ টহল জোরদার করা হয়েছে।

ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ বাড়ছে। বিশেষ করে তেল পরিবহন ও বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

তবে এখনো পর্যন্ত জাহাজটি কোথায় নেওয়া হয়েছে বা এর ওপর কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।


এ সম্পর্কিত আরো খবর