ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী তিন নিরাপত্তারক্ষীসহ অপহৃত কালাতের রাজপুত্র শাহজাদা আহমেদজাই 'আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স' শব্দ নিষিদ্ধের ঘোষণা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নারী পরীক্ষকের সামনে পুরুষরা কম ব্যথা অনুভব করেন: নতুন গবেষণা উইন্ডিজের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নেই মুশফিক! কাঁদুনে গ্যাসে ফরাসি বিক্ষোভকারীর মৃত্যু, পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অধ্যায় শেষ, দাবি বিরোধী নেতা আইজেনকোটের ফেনারবাখচেকে হারিয়ে ইউরোলিগে ভ্যালেন্সিয়ার দুর্দান্ত জয়

এসএসসি ফরম ফিলাপে বাধার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৫ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৬:১৩ পিএম

পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা পৌরসভার কালীবাড়ি রোডের মোঃ দেলোয়ার হোসেনের বাসায় ২৫ এপ্রিল ২০২৬ রোজ শনিবার উলানিয়া হাট স্কুল এন্ড কলেজের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে উলানিয়া হাট স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মাহফুজুর রহমান ও সহকারী সিনিয়র শিক্ষক মোঃ বুলবুলের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ তোলেন মোসাঃ নার্গিস পারভীন নামে এক অভিভাবক।

লিখিত বক্তব্যে মোসাঃ নার্গিস পারভীন দাবি করেন, তাঁর ছেলে মোঃ আশিকুর রহমান উলানিয়া হাট স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী। তিনি অভিযোগ করেন, সহকারী সিনিয়র শিক্ষক মোঃ বুলবুলের কাছে প্রাইভেট না পড়ায় তার ছেলের প্রতি আক্রোশ তৈরি হয়। এরই ধারাবাহিকতায় তাকে নির্বাচনী পরীক্ষায় অকৃতকার্য দেখানো হয় এবং এসএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপে বাধা সৃষ্টি করা হয়।

তিনি আরও বলেন, একই পরীক্ষায় অকৃতকার্য অন্য শিক্ষার্থীদের অর্থের বিনিময়ে বা বিশেষ বিবেচনায় সুযোগ দেওয়া হলেও তাঁর ছেলের ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য করা হয়েছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ অন্যায় এবং পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

পরবর্তীতে মোঃ আশিকুর রহমান বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এসএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপ সম্পন্ন করেন এবং প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। তবে এরপরও সমস্যার শেষ হয়নি বলে অভিযোগ করেন তার মা।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, স্কুলের অধ্যক্ষ মোঃ মাহফুজুর রহমান তার পূর্বে দেওয়া স্বাক্ষর এখন অস্বীকার করছেন। এতে শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীলদের এমন আচরণ একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

মোসাঃ নার্গিস পারভীন আরও বলেন, এটি শুধু তার সন্তানের বিষয় নয়, বরং শিক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও ন্যায়ের প্রশ্ন। তিনি অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য ফরেনসিক পরীক্ষার দাবি জানান। পাশাপাশি শিক্ষা বোর্ডের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, যদি দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত না হয়, তাহলে ভবিষ্যতে আরও অনেক শিক্ষার্থী একই ধরনের হয়রানির শিকার হতে পারে। তাই বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে স্থানীয়ভাবে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ অভিযোগকে গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন, আবার কেউ বিষয়টি নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবস্থান জানার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন।

বর্তমানে পুরো ঘটনাটি এলাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর