ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২ কমলা হ্যারিসের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশের চেষ্টা, পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার রাজধানীতে সকালের বৃষ্টিতে সড়কে ভোগান্তি, ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস ইয়েমেনে ফের তীব্র সংঘাত, ১২৯টি হামলার দাবি হুথিদের উত্তরখানে যুবলীগের গোপন বৈঠক, পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার ৮ বিচ্ছেদ গুঞ্জন উড়িয়ে ছেলের জন্মদিনে একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রী বিয়ের আনন্দ রূপ নিল বিষাদে, সড়কে ঝরল ৪ প্রাণ ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ভয়াবহ বিমান হামলা, ৯ জনের প্রাণহানি সুইডেনে সংসদ নির্বাচন: কট্টর ডানপন্থীদের সরকারে আসার জোর সম্ভাবনা

হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর, শ্রেণিকক্ষে নেই শিক্ষক—এমপির ক্ষোভ


  • আপলোড সময় : সোমবার ০৪ মে, ২০২৬ সময় : ৮:১৭ পিএম

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বানিয়াগাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর থাকা সত্ত্বেও এক শিক্ষকের অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী।

স্থানীয় সূত্র ও দলীয় নেতা-কর্মীদের বরাতে জানা যায়, সোমবার (৪ মে) দুপুরে বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে যান এমপি হিলালী। এসময় বিদ্যালয়ের ৬ জন শিক্ষকের মধ্যে একজন ছুটিতে থাকায় ৫ জন শিক্ষক উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তবে সরেজমিনে পাওয়া যায় মাত্র ৪ জন শিক্ষককে।

আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর থাকা সত্ত্বেও হেলেনা আক্তার ডলি নামের এক শিক্ষিকাকে বিদ্যালয়ে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নজরে এনে এমপি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পরিদর্শন বহিতে তা লিপিবদ্ধ করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের কাছেই ওই শিক্ষিকার নানাবাড়ি থাকায় তিনি প্রায়ই বিদ্যালয় চলাকালীন সময় বাইরে চলে যান, যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার আকন্দ বলেন, এমপি মহোদয় আসার সময় সহকারী শিক্ষিকা হেলেনা আক্তার ডলি স্কুলে উপস্থিত ছিলেন না। তবে তিনি সকালে এসে ক্লাস নিয়েছিলেন এবং পরে স্কুল থেকে বের হওয়ার সময় আমাকে জানাননি। এমপি মহোদয় কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে চলে যাওয়ার সময় তিনি স্কুলে ফিরে আসেন, তখন আমি তাকে এমপি মহোদয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিই। কিন্তু এর আগেই এমপি মহোদয় পরিদর্শন খাতায় মন্তব্য লিখে যান যে, তিনি অনুপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও জানান, হেলেনা আক্তার ডলি দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। বয়সজনিত কারণে তিনি প্রায়ই অসুস্থ থাকেন। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের পাশেই তার মামার বাড়ি থাকায় তিনি মাঝেমধ্যে সেখানে যান।

এ বিষয়ে জানতে শিক্ষিকা হেলেনা আক্তার ডলির সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উপস্থিতি ও দায়িত্ব পালনে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন, যাতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় কোনো ধরনের ব্যাঘাত না ঘটে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর