ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর, শ্রেণিকক্ষে নেই শিক্ষক—এমপির ক্ষোভ


  • আপলোড সময় : সোমবার ০৪ মে, ২০২৬ সময় : ৮:১৭ পিএম

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার বানিয়াগাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর থাকা সত্ত্বেও এক শিক্ষকের অনুপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী।

স্থানীয় সূত্র ও দলীয় নেতা-কর্মীদের বরাতে জানা যায়, সোমবার (৪ মে) দুপুরে বিদ্যালয়টি পরিদর্শনে যান এমপি হিলালী। এসময় বিদ্যালয়ের ৬ জন শিক্ষকের মধ্যে একজন ছুটিতে থাকায় ৫ জন শিক্ষক উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তবে সরেজমিনে পাওয়া যায় মাত্র ৪ জন শিক্ষককে।

আরও বিস্ময়কর বিষয় হলো, হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর থাকা সত্ত্বেও হেলেনা আক্তার ডলি নামের এক শিক্ষিকাকে বিদ্যালয়ে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নজরে এনে এমপি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং পরিদর্শন বহিতে তা লিপিবদ্ধ করেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের কাছেই ওই শিক্ষিকার নানাবাড়ি থাকায় তিনি প্রায়ই বিদ্যালয় চলাকালীন সময় বাইরে চলে যান, যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার আকন্দ বলেন, এমপি মহোদয় আসার সময় সহকারী শিক্ষিকা হেলেনা আক্তার ডলি স্কুলে উপস্থিত ছিলেন না। তবে তিনি সকালে এসে ক্লাস নিয়েছিলেন এবং পরে স্কুল থেকে বের হওয়ার সময় আমাকে জানাননি। এমপি মহোদয় কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে চলে যাওয়ার সময় তিনি স্কুলে ফিরে আসেন, তখন আমি তাকে এমপি মহোদয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিই। কিন্তু এর আগেই এমপি মহোদয় পরিদর্শন খাতায় মন্তব্য লিখে যান যে, তিনি অনুপস্থিত ছিলেন।

তিনি আরও জানান, হেলেনা আক্তার ডলি দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে বিদ্যালয়ে কর্মরত আছেন। বয়সজনিত কারণে তিনি প্রায়ই অসুস্থ থাকেন। পাশাপাশি বিদ্যালয়ের পাশেই তার মামার বাড়ি থাকায় তিনি মাঝেমধ্যে সেখানে যান।

এ বিষয়ে জানতে শিক্ষিকা হেলেনা আক্তার ডলির সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় অভিভাবকরা জানান, বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উপস্থিতি ও দায়িত্ব পালনে আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন, যাতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় কোনো ধরনের ব্যাঘাত না ঘটে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর