ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

একটি যুদ্ধ শেষ, এখন প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের যুদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • আপলোড সময় : শনিবার ০৯ মে, ২০২৬ সময় : ৩:১৪ পিএম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমাদের একটি যুদ্ধ শেষ হয়েছে। এখন আরেকটি যুদ্ধ শুরু হয়েছে। সেটি হলো, আমরা মানুষকে যে কথা দিয়েছিলাম তার বাস্তবায়ন করা।’ তিনি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দলের নেতাকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন।

শনিবার সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (কেআইবি)-এর মিলনায়তনে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শ্লোগানকে ধারণ করে বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দলের সমর্থন ও সমন্বয় ছাড়া সরকার সফল হতে পারবে না। নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য সবাইকে নতুন সংগ্রামে নামতে হবে।

তিনি বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে নেতাকর্মীরা মাঠে সক্রিয় ছিলেন। নির্বাচন কঠিন হবে বলে আগেই সতর্ক করা হয়েছিল এবং বাস্তবেও তারা নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছেন। জনগণ বিএনপি এবং দলের নির্বাচনী ইশতেহারের পক্ষে রায় দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তারেক রহমান বলেন, নির্বাচনের আগে যে ইশতেহার ছিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ম্যানিফেস্টো, সরকার গঠনের পর সেটি এখন দেশের জনগণের ইশতেহারে পরিণত হয়েছে। কারণ ভোট দেওয়া ৫২ শতাংশ মানুষ এই ম্যানিফেস্টোর পক্ষেই সমর্থন দিয়েছে। তাই এতে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাতে হবে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণকে সুশাসনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। এমন একটি দেশ গঠনের অঙ্গীকার করা হয়েছিল, যেখানে শিক্ষার্থীরা সুন্দর শিক্ষার পরিবেশ পাবে এবং নারী, পুরুষ ও শিশুরা নিরাপদে চলাফেরা করতে পারবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বৈরাচার ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় নেতাকর্মীরা নির্যাতন, গুম ও হত্যার শিকার হয়েছেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকে বিএনপি এমন একটি রাজনৈতিক পরিবেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ এবং রাজনৈতিক বিতর্কের সুযোগ থাকবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা বলি বর্তমান সরকার বিএনপি সরকার। অর্থাৎ সরকার ঠিকই আছে, কিন্তু বিএনপি সরকার। সেজন্য বিএনপি যদি সহযোগিতা না করে, তাহলে অনেক ক্ষেত্রেই সরকার সফল হতে পারবে না।’ এর আগে সকাল পৌনে ১১টায় ফার্মগেটের কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট (কেআইবি) মিলনায়তনে রুদ্ধদ্বার মতবিনিময় সভা শুরু হয়।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমদ, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ও এজেডএম জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর দলের মাঠপর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এটি প্রথম মতবিনিময় সভা।

আকাশজমিন /আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর