ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় নেওয়ার প্রস্তাব পুতিনের


  • আপলোড সময় : রবিবার ১০ মে, ২০২৬ সময় : ৪:১৫ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় নিয়ে গিয়ে সংরক্ষণ করতে মস্কো প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বলেছেন, অতীতেও রাশিয়া এ ধরনের দায়িত্ব পালন করেছে এবং প্রয়োজন হলে আবারও একই পদক্ষেপ নিতে আগ্রহী।

শনিবার (৯ মে) মস্কোতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুতিন বলেন, ২০১৫ সালে ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় নেওয়া হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে বর্তমান পরিস্থিতিতেও রাশিয়া একই ধরনের সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত আছে।

২০১৫ সালে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বের কয়েকটি শক্তিধর দেশের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক পারমাণবিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ওই চুক্তির আওতায় ইরান তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত করতে সম্মত হয়েছিল। পাশাপাশি জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থাকে পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে নজরদারির সুযোগ দেওয়া হয়। এর বিনিময়ে পশ্চিমা দেশগুলো ইরানের ওপর আরোপিত বেশ কিছু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়।

তবে ২০১৮ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে ওই চুক্তি থেকে প্রত্যাহার করে নেন। এর ফলে চুক্তিটি কার্যত ভেঙে পড়ে এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক আবারও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।

সংবাদ সম্মেলনে পুতিন আরও বলেন, চলমান সংকটের বিভিন্ন পক্ষ একসময় এ বিষয়ে সম্মত হয়েছিল যে ইরান থেকে সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া হবে। তবে পরে যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবস্থান কঠোর করে এবং শর্ত দেয়, ইরান থেকে সরানো ইউরেনিয়াম শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া যাবে। এরপর ইরানও নিজেদের অবস্থানে অনড় হয়ে পড়ে।

রুশ প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাশিয়া সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে। কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে চলমান উত্তেজনা দ্রুত শেষ হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তবে পুতিনের এই মন্তব্যের বিষয়ে ইরান তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইরানের পারমাণবিক ইস্যুতে রাশিয়ার এমন প্রস্তাব নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনা ত্বরান্বিত করতে পারে।

সূত্র: আলজাজিরা

আকাশজমিন / আরআর  


এ সম্পর্কিত আরো খবর