ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ আর নেই


  • আপলোড সময় : সোমবার ০১ জুন, ২০২৬ সময় : ৪:৫৫ পিএম

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন)। সোমবার (১ জুন) বিকেলে সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও প্রবীণ এই রাজনীতিবিদের পরিবারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমকে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ দীর্ঘদিন ধরে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা প্যারালাইজড হওয়াসহ অন্যান্য নানাবিধ জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে গত ২৮ সেপ্টেম্বর তাঁকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। উল্লেখ্য, সে দিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর মৃত্যুর একটি গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল। অবশ্য পরবর্তীতে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা বিষয়টি নাকচ করে এ বিষয়ে সঠিক ব্যাখ্যা প্রদান করেছিলেন।

তোফায়েল আহমেদের জামাতা ডা. তৌহিদুজ্জামান তুহিন গণমাধ্যমকে তাঁর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে বলেন, তোফায়েল আহমেদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন। পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনেরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তোফায়েল আহমেদ। মৃত্যুকালে তিনি এক মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন। বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ ১৯৪৩ সালের ২২ অক্টোবর ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি বা ভিপি ছিলেন। ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্বস্থানীয় ও ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখে তিনি দেশজুড়ে ব্যাপক পরিচিতি পান। ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে মাত্র ২৭ বছর বয়সে তোফায়েল আহমেদ পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। রাজনৈতিক জীবনে তিনি মোট নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। এ ছাড়া একাধিকবার সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হিসেবেও সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) উপদেষ্টামণ্ডলীর অন্যতম সদস্য ছিলেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর