মোঃ বাকি অনিক, কুমিল্লা প্রতিনিধি
কুমিল্লা নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোঃ ইউসুফ মোল্লা টিপু। নগরবাসীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান এবং বর্ষা মৌসুমে নাগরিক দুর্ভোগ কমাতে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
সম্প্রতি নগরীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে চলমান ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিদর্শন করেন প্রশাসক মোঃ ইউসুফ মোল্লা টিপু। পরিদর্শনকালে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে ড্রেন পরিষ্কারের কাজ আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মামুনসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তারা। তারা চলমান কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক প্রশাসকের সামনে তুলে ধরেন এবং নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করেন।
পরিদর্শন শেষে প্রশাসক মোঃ ইউসুফ মোল্লা টিপু বলেন, বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। তাই আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নিয়মিতভাবে ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে। নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, আবাসিক এলাকা ও জলাবদ্ধতাপ্রবণ স্থানে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, নাগরিক ভোগান্তি কমানো এবং নগরবাসীর জন্য একটি পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিত করতে সিটি করপোরেশন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ এবং পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
প্রশাসক নগরবাসীর প্রতিও আহ্বান জানিয়ে বলেন, ড্রেন ও খালে ময়লা-আবর্জনা না ফেলে পরিচ্ছন্ন নগরী গঠনে সবাইকে সচেতন হতে হবে। নাগরিকদের সহযোগিতা ছাড়া জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।
সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিকভাবে ড্রেন পরিষ্কার, আবর্জনা অপসারণ এবং পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল রাখার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এ কার্যক্রমের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা কমিয়ে নগরবাসীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
নগরবাসী আশা করছেন, চলমান ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রমের ফলে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা অনেকাংশে কমে আসবে এবং সড়ক ও জনপথে চলাচল আরও স্বাভাবিক হবে।