ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

রেমিট্যান্সে নতুন ইতিহাস: এক বছরে রেকর্ড ৩৫.৫৬ বিলিয়ন ডলার আয়


  • আপলোড সময় : বুধবার ০১ জুলাই, ২০২৬ সময় : ৮:৫৬ পিএম

রেকর্ড গড়ার মধ্য দিয়ে শেষ হলো ২০২৫-২৬ অর্থবছর। দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ ৩৫ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে, যা বিগত সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। বুধবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য সমাপ্ত এই অর্থবছরের ১২ মাসে বৈধ পথে মোট ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৪ লাখ ৩৮ হাজার ১২৮ কোটি টাকা। আগের অর্থবছরে মোট রেমিট্যান্স এসেছিল ৩ হাজার ৩২ কোটি ৯০ লাখ ডলার। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে প্রবাসী আয় বেড়েছে ৫২৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার বা ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা এই অর্জনের পেছনে হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের কঠোর অবস্থান, বৈধ পথে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে নগদ প্রণোদনা, ব্যাংকিং সেবার সহজলভ্যতা এবং ডিজিটাল মাধ্যমে দ্রুত অর্থ পাঠানোর সুযোগকে মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তবে অর্থবছরের শেষ মাস জুনে রেমিট্যান্স প্রবাহে কিছুটা ভাটা লক্ষ্য করা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, জুন মাসে দেশে এসেছে ২৮০ কোটি ৬ লাখ মার্কিন ডলার। এটি গত সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদ উপলক্ষে মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে প্রবাসীরা অতিরিক্ত অর্থ পাঠিয়েছেন। ঈদ-পরবর্তী স্বাভাবিক প্রভাবেই জুনে এই গতি কিছুটা কমেছে। এছাড়া ব্যাংক হলিডের কারণে ১১টি ব্যাংকের তথ্য প্রাথমিক হিসাবে অন্তর্ভুক্ত না হওয়ায় চূড়ান্ত হিসাবে এই অংক আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বৃদ্ধির ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যমতে, দেশের গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৭ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলারে। এছাড়া আইএমএফ-এর বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে নিট ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ রয়েছে ৩২ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার।


এ সম্পর্কিত আরো খবর