মাহফুজুর রহমান বিপ্লব, ফরিদপুর
ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম বাবুলের বিশেষ ব্যক্তিগত অর্থায়ন ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি অ্যান্টি-রেবিস (রেবিস) ভ্যাকসিন এবং রেবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন ($RIG$) সরবরাহ করা হয়েছে। মূলত এলাকা জুড়ে কুকুর, বিড়াল ও জলাতঙ্কের জীবাণু ছড়াতে সক্ষম এমন বিভিন্ন বন্য প্রাণীর কামড়ে আক্রান্ত সাধারণ রোগীদের তাৎক্ষণিক জীবন রক্ষাকারী চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই জরুরি প্রতিষেধক ও রেবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন সরবরাহের ফলে ভাঙ্গা উপজেলার সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ এখন থেকে কোনো রকম ভোগান্তি ছাড়াই স্থানীয় হাসপাতালে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে জলাতঙ্ক প্রতিরোধী সম্পূর্ণ চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ পাবেন। পূর্বে এই ভ্যাকসিনের অভাব বা স্বল্পতার কারণে অনেক রোগীকে জেলা সদরে দৌড়াদৌড়ি করতে হতো। স্থানীয় সচেতন বাসিন্দারা সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম বাবুলের এই মানবিক ও জনবান্ধব উদ্যোগকে অত্যন্ত সময়োপযোগী ও জনকল্যাণমূলক একটি পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
এদিকে ভাঙ্গা উপজেলার চিকিৎসা সেবার ক্ষেত্রে আরও একটি বড় সাফল্য যুক্ত হয়েছে। স্থানীয় স্বাস্থ্যসেবার গুণগত মান বহুগুণ বৃদ্ধি এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় জনসেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তানসিভ জুবায়ের নাদিম এক গৌরবময় কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। তিনি “সেবায় গুণগত মানের দৃশ্যমান উন্নয়ন” ক্যাটাগরিতে সমগ্র ফরিদপুর জেলার মধ্যে প্রথম স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেছেন। তার এই অসামান্য অনন্য অর্জনের জন্য ফরিদপুর সিভিল সার্জন কার্যালয়ের পক্ষ থেকে তাকে আনুষ্ঠানিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সাধারণ নাগরিক ও সুধী সমাজের মতে, উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসনের দক্ষ ও গতিশীল নেতৃত্ব এবং ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম বাবুলের আন্তরিক উন্নয়নমূলক সহযোগিতার এক অপূর্ব সমন্বয়ের ফলেই ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যসেবার সামগ্রিক মান দিন দিন আশাতীতভাবে উন্নত হচ্ছে। তারা মনে করেন, বিশেষ করে এই সংকটকালীন মুহূর্তে জীবন রক্ষাকারী জলাতঙ্ক প্রতিরোধী ভ্যাকসিন এবং রেবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন সরাসরি হাসপাতালে যুক্ত হওয়ার ফলে অবুঝ প্রাণীর কামড়ে কিংবা আঁচড়ে আক্রান্ত গ্রামীণ রোগীরা এখন অত্যন্ত দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসাসেবা পাবেন, যা এই অঞ্চলের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অগ্রযাত্রায় এক নতুন মাইলফলক।