অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত সম্পর্কে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ভবনের বাইরের বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে হঠাৎ আগুনের ফুলকি ছড়ায় এবং তা দ্রুত গুদামে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতা দেখে স্থানীয়রা তাৎক্ষণিকভাবে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। সংবাদ পাওয়া মাত্রই ফায়ার সার্ভিসের ৫টি ইউনিট একে একে ঘটনাস্থলে পৌঁছে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে আগুন বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটাতে পারেনি।
গাছা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ শহীদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে গণমাধ্যমকে জানান, ফায়ার সার্ভিসের তৎপরতায় আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসায় এই ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে অগ্নিকাণ্ডের ফলে গুদামে থাকা মালামাল পুড়ে প্রাথমিকভাবে প্রায় দুই লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে গাছা থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। পুলিশ সদস্যরা উৎসুক জনতার ভিড় সামলে চারপাশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখেন। দুর্ঘটনা পরবর্তী যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রয়েছে এবং মহাসড়কে যানবাহন চলাচল সচল রয়েছে।