ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে ঢল, তিস্তার পানি বিপদসীমার ছুঁই ছুঁই


  • আপলোড সময় : বুধবার ২২ জুলাই, ২০২৬ সময় : ১২:৫৫ পিএম

ভারী বর্ষণ আর উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের তোড়ে হু হু করে বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি। উজানের এই অবিরাম প্রবাহের কারণে নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার মাত্র এক সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে তীব্র গতিতে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীপাড়ের নদীবেষ্টিত নিম্নাঞ্চলগুলোতে পানি ঢুকতে শুরু করায় বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির উচ্চতা রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৪ সেন্টিমিটার। ওই পয়েন্টে পানির স্বাভাবিক বিপদসীমা ধরা হয় ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। ফলে বর্তমানে নদীর পানি বিপদসীমার ছুঁই ছুঁই অবস্থান অর্থাৎ মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে বয়ে যাচ্ছে।

হঠাৎ নদী ফুলে-ফেঁপে ওঠায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী এবং পার্শ্ববর্তী জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের নিচু এলাকা ও চরাঞ্চলে দ্রুত পানি ঢুকতে শুরু করেছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জানান, এভাবে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে চরাঞ্চল ও লোকালয় অচিরেই প্লাবিত হয়ে বড় ক্ষতির মুখে পড়তে পারে।

পরিস্থিতি সম্পর্কে ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, নদীর পানি আরও বৃদ্ধি পাওয়ার প্রবল শঙ্কা রয়েছে। উজান থেকে ধেয়ে আসা নদীর পানির প্রবাহ নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর দুর্ঘটনা এড়াতে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট (স্লুইস গেইট) একযোগে খোলা রাখা হয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর