বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারাও অভিযানে অংশ নেন।
অভিযান চলাকালে মাদকের আখড়া হিসেবে পরিচিত হাজীর মাজার বস্তির বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে স্থাপিত বিদ্যুৎ সংযোগ শনাক্ত করে তা বিচ্ছিন্ন করা হয়। একই সঙ্গে অনুমোদনহীনভাবে স্থাপন করা একাধিক ইন্টারনেট সংযোগও কেটে দেওয়া হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডেসকো-র এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম নাজিমুল ইসলামসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। জিএমপি ও বিদ্যুৎ বিভাগের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে বস্তির অপরাধপ্রবণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজর দেওয়া হয়।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক ব্যবসা, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং অবৈধ সংযোগের মাধ্যমে পরিচালিত নেটওয়ার্ক ভেঙে দিতে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ভবিষ্যতেও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জিএমপি আরও জানিয়েছে, শুধু হাজীর মাজার বস্তিই নয়, নগরীর অন্যান্য স্পর্শকাতর ও অপরাধপ্রবণ এলাকাতেও পর্যায়ক্রমে একই ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হবে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ, অনুমোদনহীন ইন্টারনেট লাইন এবং অপরাধে ব্যবহৃত অন্যান্য অবকাঠামোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দাবি, মাদক নিয়ন্ত্রণে অবকাঠামোগত সহায়তা বন্ধ করা গেলে অপরাধ দমনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এ কারণে অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অবৈধ সুবিধা ও সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।