ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

ঝালকাঠিতে বাড়ছে ডেঙ্গুর প্রকোপ, আক্রান্ত গত বছরের প্রায় দ্বিগুণ


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৬ জুলাই, ২০২৬ সময় : ৬:১৬ পিএম

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

ঝালকাঠিতে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিদিনই নতুন রোগী শনাক্ত হওয়ায় স্বাস্থ্য বিভাগে বাড়ছে উদ্বেগ। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা শহরের নয়টি এলাকাকে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ঝালকাঠি শহরের কাটপট্টি, বান্দা ঘাট, বাঁশপট্টি, কলাবাগান, স্টেশন রোড, সিটি পার্ক, ফকির বাড়িসহ মোট নয়টি এলাকাকে ডেঙ্গু ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, বর্তমানে ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে ২৯ জন, নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৭ জন, রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১১ জন এবং কাঁঠালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এদিকে, চলতি মৌসুমে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ঝালকাঠি শহরের কলাবাগান ও ফকির বাড়ি এলাকার দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, চলতি মৌসুমে ঝালকাঠিতে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। তবে রোগ শনাক্তের জন্য হাসপাতালে পর্যাপ্ত ডেঙ্গু পরীক্ষার কিট রয়েছে। পাশাপাশি রোগীর চাপ সামাল দিতে শয্যা সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।

তারা আরও জানান, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগ যথেষ্ট নয়, জনগণের সচেতনতাও গুরুত্বপূর্ণ। বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা, জমে থাকা পানি অপসারণ এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার মাধ্যমে ডেঙ্গুর বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

স্বাস্থ্য বিভাগ সাধারণ মানুষকে জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথাসহ ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর