নড়াইল প্রতিনিধি:
নড়াইলের কালিয়ায় নিজ বসতঘর থেকে হাসুম শেখ (৩২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে মিলন শেখ (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
রোববার (২৬ জুলাই) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার পুরুলিয়া ইউনিয়নের দেওয়াডাঙ্গা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে হাসুম শেখের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত হাসুম শেখ দেওয়াডাঙ্গা গ্রামের আকবর শেখের ছেলে। তিনি পেশায় একজন মুদি দোকানি ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে মিলন শেখ হাসুম শেখকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে রাত ৩টার দিকে তাকে আবার বাড়িতে পৌঁছে দেন। এরপর রোববার সকালে পরিবারের সদস্যরা হাসুম শেখকে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে প্রতিবেশীদের খবর দেন। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের সন্দেহের ভিত্তিতে মিলন শেখকে আটক করে কয়েকজন বাসিন্দা মারধর করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয়। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পুলিশের কিছুটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মিলন শেখ একই গ্রামের গফফার শেখের ছেলে।
কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইদ্রিস আলী জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
তিনি আরও জানান, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মিলন শেখকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পেছনের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।