ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী তিন নিরাপত্তারক্ষীসহ অপহৃত কালাতের রাজপুত্র শাহজাদা আহমেদজাই 'আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স' শব্দ নিষিদ্ধের ঘোষণা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নারী পরীক্ষকের সামনে পুরুষরা কম ব্যথা অনুভব করেন: নতুন গবেষণা উইন্ডিজের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে নেই মুশফিক! কাঁদুনে গ্যাসে ফরাসি বিক্ষোভকারীর মৃত্যু, পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক অধ্যায় শেষ, দাবি বিরোধী নেতা আইজেনকোটের ফেনারবাখচেকে হারিয়ে ইউরোলিগে ভ্যালেন্সিয়ার দুর্দান্ত জয়

কাপ্তাই হ্রদের পানি দ্রুত বৃদ্ধি: ২ ঘণ্টা আগেই খুলল ১৬ জলকপাট


  • আপলোড সময় : রবিবার ৩০ আগস্ট, ২০২৬ সময় : ১০:০২ এএম

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় নির্ধারিত সময়ের প্রায় দুই ঘণ্টা আগেই কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পিলওয়ের ১৬টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছে। শনিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে প্রতিটি কপাট ৬ ইঞ্চি করে খুলে কর্ণফুলী নদীতে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী) মাহমুদ হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বিকেলে হ্রদের পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় রাত ১০টার নির্ধারিত সময়ের আগেই কপাটগুলো খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


জলকপাট খোলার মুহূর্তে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা ছিল ১০৫ দশমিক ৯৮ ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল), যা দুপুরে ছিল ১০৫ দশমিক ৬৪ ফুট। উল্লেখ্য, এই হ্রদের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল। এর আগে বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে রাত ১০টায় পানি ছাড়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল।


বর্তমানে ১৬টি জলকপাট দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি কেন্দ্রটির পাঁচটি ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু রাখা হয়েছে। এর মাধ্যমে আরও প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে প্রবাহিত হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানায়, এটি এই মৌসুমে দ্বিতীয় দফায় জলকপাট খোলার ঘটনা। এর আগে গত মাসেও হ্রদের পানির সমতল বৃদ্ধি পাওয়ায় একইভাবে গেট খুলে অতিরিক্ত পানি ছাড়া হয়েছিল। হ্রদের পানির সমতল এবং উজান থেকে আসা ঢল নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী পানি ছাড়ার পরিমাণ পুনর্বিন্যাস করা হতে পারে। কাপ্তাই, রাঙামাটি ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


এ সম্পর্কিত আরো খবর