ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২ কমলা হ্যারিসের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশের চেষ্টা, পুলিশি নিরাপত্তা জোরদার রাজধানীতে সকালের বৃষ্টিতে সড়কে ভোগান্তি, ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস ইয়েমেনে ফের তীব্র সংঘাত, ১২৯টি হামলার দাবি হুথিদের উত্তরখানে যুবলীগের গোপন বৈঠক, পুলিশি অভিযানে গ্রেপ্তার ৮ বিচ্ছেদ গুঞ্জন উড়িয়ে ছেলের জন্মদিনে একফ্রেমে রাজ-শুভশ্রী বিয়ের আনন্দ রূপ নিল বিষাদে, সড়কে ঝরল ৪ প্রাণ ইউক্রেনজুড়ে রাশিয়ার ভয়াবহ বিমান হামলা, ৯ জনের প্রাণহানি সুইডেনে সংসদ নির্বাচন: কট্টর ডানপন্থীদের সরকারে আসার জোর সম্ভাবনা

পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে কোর্ট হাজত থেকে লাফিয়ে আসামির পলায়ন


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৮:১১ পিএম

সিরাজগঞ্জ প্রতি‌নি‌ধিঃ

সিরাজগঞ্জে পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে কোর্ট হাজত থেকে লাফিয়ে হাজতীর পলায়োন। ঘটনা‌টি সিরাজগঞ্জ চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে। সেখা‌নে হাতকড়া পড়ানোর সময় পুলিশ সদস্যকে ধাক্কা দিয়ে কোর্ট হাজতের দোতলার বারান্দা থেকে লাফিয়ে পালায় আব্দুল মমিন নামে এক হাজতী। 


বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে এই ঘটনাটি ঘটে। পলাতক আসামি আব্দুল মমিন সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার কোবদাসপাড়া মহল্লার আব্দুস সবুরের ছেলে। এ ঘটনায় দুপুর ১২টা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত আদালত চত্বরে অবস্থান করার পরও পুলিশের সাক্ষাত পাওয়া যায়নি। বিকেল ৪ঃ৩০ এর দিকে সদর কোর্টের জিআরও (এএসআই) জুয়েল হোসেন আসামি পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন। তবে তিনি বলেন, আমি আসামি পালানোর বিষয়টি শুনেছি। ঘটনার সময় সেখানে ছিলাম না। এর আগে আদালতের বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা যায়, চুরি মামলার হাজতী আসামি আব্দুল মমিনকে জেলা কারাগার থেকে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে হাজিরা দেওয়ার জন্য আনা হয়।


হাজিরা শেষে তাকে আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলায় হাজতে নেওয়া হয়। এ সময় এক পুলিশ সদস্য তাকে হাতকড়া পড়ানোর চেষ্টা করছিলেন। তখন ওই পুলিশ সদস্যকে ধাক্কা দিয়ে বারান্দার অরক্ষিত দ্বিতীয়তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে দ্রুত পালিয়ে যান। এদিকে কোর্ট পুলিশ তাৎক্ষণিক দিয়ার ধানগড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে পালিয়ে যাওয়া চোর সন্দেহে নুরনবী নামে এক যুবককে আটক করে নিয়ে আসে। নুরনবী দিয়ার ধানগড়া মহল্লার আব্দুর রহিমের ছেলে। যাচাই-বাছাই শেষে পালিয়ে যাওয়া আসামির সঙ্গে মিল না পেয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এসব ঘটনার তথ্য সংগ্রহে আদালত চত্বরে গেলে কোর্ট পুলিশের সদস্যদেরকে এদিক-সেদিক ছোটাছুটি করতে দেখা যায়। এ সময় প্রশ্ন করলে কেউই সঠিকভাবে তথ্য দিতে রাজি হননি।


তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পুলিশের কয়েকজন সদস্য জানান, পালিয়ে যাওয়া আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। সবাই সেজন্যই ব্যস্ত রয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সবাই আসামি খুঁজতে গেছে। এ বিষয়ে কোর্ট পরিদর্শকের সাক্ষাতকার নেন।


কোর্ট পরিদর্শক রওশন ইয়াজদানির কক্ষে একাধিকবার খুঁজেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার সরকারি নম্বরে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। কয়েক ঘণ্টা পর দেখা মেলে কোর্ট পরিদর্শক রওশন ইয়াজদানি, এ সময় তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আসামিকে নিয়ে আসার পরে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দ্বিতীয় তলার হাজত খানায় রাখা হয়েছিল। পরে হাজত খানায় আরেকজন আসামিকে ঢোকানোর সময় সে পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে বের হয়। এরপর বাড়ান্দায় কোনও গ্রীল না থাকার সুযোগে লাফ দিয়ে পালিয়ে যায়। বিষয়টি মৌখিকভাবে সদর থানায় জানানো হয়েছে। তারা তাকে খুঁজছেন। এঘটনায় মামলা দায়ের করা হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।


এ সম্পর্কিত আরো খবর