তুরস্কের
বিপক্ষে ম্যাচে পুরো আলো কাড়তে না পারলেও বেলজিয়ামের
বিরুদ্ধে বদলি নেমে ঠিকই জাদু দেখালেন ফরাসি ফরোয়ার্ড মাইকেল ওলিসে। ম্যাচের শেষ ১৩ মিনিটে মাঠে
নেমেই দুর্দান্ত এক গোল করে
ফরাসি কোচ জিনেদিন জিদানকে মুগ্ধ করেছেন বায়ার্ন মিউনিখ তারকা। তার এই জাদুকরি পারফরম্যান্সের
সুবাদেই রোমাঞ্চকর জয় তুলে নিয়েছে
ফরাসিরা।
গত
ম্যাচে তুরস্কের বিপক্ষে ৭৮ মিনিট মাঠে
থেকে কিলিয়ান এমবাপেকে দিয়ে দলের একমাত্র গোলটি করিয়েছিলেন ওলিসে। তবে বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচের শুরুটা তাকে বেঞ্চে বসেই কাটাতে হয়। নির্ধারিত সময়ের শেষ প্রান্তে মাঠে নেমেই তিনি নিজের জাত চেনান। ফাস্ট ব্রেক থেকে সুযোগ পেয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণ চূর্ণ করেন। প্রতিপক্ষের আক্রমণ প্রতিহত করার পর কাঁধ দিয়ে
বল নিয়ন্ত্রণ করে ডান দিক দিয়ে গতি বাড়ান ওলিসে। তার গতির কাছে পরাস্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন বেলজিয়ামের ডিফেন্ডার ম্যাক্সিম দে কুইপার। এরপর
বক্সে ঢুকে অসাধারণ নিচু শটে বল জালে জড়িয়ে
দেন এই উদীয়মান ফরোয়ার্ড।
চলতি মৌসুমে বায়ার্ন মিউনিখের জার্সিতে দারুণ ছন্দে থাকা ওলিসে এবার ফরাসি কোচ জিদানের অধীনেও নিজের নামের সুবিচার করলেন।
ম্যাচ
শেষে তরুণ এই তারকার ভূয়সী
প্রশংসা করেছেন ফ্রান্সের কোচ জিনেদিন জিদান। ফরাসি সংবাদমাধ্যম ফুট মার্কাটোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জিদান যেন ওলিসের ভক্তে পরিণত হয়েছেন। তিনি বলেন, ডিফেন্ডারকে ড্রিবল করে তাকে এগিয়ে যেতে দেখে মনে মনে ভেবেছিলাম সে নিশ্চিত গোল
করবে। আমি তাকে দারুণভাবে উৎসাহিত করছিলাম। সে একজন অসাধারণ
প্রতিভাবান খেলোয়াড়। এই ধরনের ফুটবলারদের
আমি দারুণ ভালোবাসি।
জিদান
আরও যোগ করেন, ওলিসে যখন মাঠে নামে, সে কেবল নিজের
নৈপুণ্য দেখায় না, বরং দর্শকদের ভরপুর বিনোদন দেয়। খেলাটা সম্পর্কে তার দুর্দান্ত বোঝাপড়া রয়েছে। প্রতিপক্ষের গতিবিধি আগে থেকেই অনুমান করে কখন আক্রমণ করতে হবে আর কখন রক্ষণ
সামলাতে হবে, তা সে খুব
ভালো করেই বোঝে।
এই
জয়ে দুই ম্যাচে ছয় পয়েন্ট নিয়ে
টেবিলের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে ফরাসিরা। মার্ক ফন বোমেলের অধীনে
এটি বেলজিয়ামের প্রথম হার। ৩ পয়েন্ট নিয়ে
তারা তালিকার তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে, আর সমান পয়েন্ট
নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইতালি।
সূত্র:
ফুট মার্কাটো