ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

জীবাণুমুক্ত থাকতে নিয়মিত হাত ধোয়ার তাগিদ

আজ বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১৫ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ৪:২২ পিএম

আজ ১৫ অক্টোবর, বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস (গ্লোবাল হ্যান্ডওয়াশিং ডে)। নানা ধরনের সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ ও জীবাণুমুক্ত জীবন নিশ্চিতে সাবান ও পরিষ্কার পানি দিয়ে নিয়মিত হাত ধোয়ার স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস ও গুরুত্ব সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা বাড়াতে প্রতিবছর দিবসটি পালন করা হয়।


দৈনন্দিন চলাফেরা ও কাজের প্রক্রিয়ায় মানুষের হাতের মাধ্যমে নানা ধরনের মারাত্মক রোগের ক্ষতিকর জীবাণু সবচেয়ে সহজে ছড়াতে পারে। তাই প্রতিবার খাবার খাওয়ার আগে, যেকোনো খাবার প্রস্তুত করার পূর্বে এবং শৌচাগার ব্যবহারের পর সঠিকভাবে সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়া অত্যন্ত জরুরি। এ ছাড়া হাঁচি বা কাশির পরও হাত ভালোভাবে পরিষ্কার করার পরা পরামর্শ দিয়ে থাকেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।


চিকিৎসকদের মতে, কেবল সাধারণ পানি দিয়ে হাত ধোয়ার চেয়ে সাবান ও পানির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে হাত পরিষ্কার করলে তা ত্বক থেকে জীবাণু শতভাগ দূর করতে অনেক বেশি কার্যকর ভূমিকা পালন করে।


হাত ধোয়ার সঠিক নিয়ম হিসেবে চিকিৎসকরা জানান, হাতের তালু, পেছনের পিঠ, আঙুলের ভেতরের ফাঁক ও নখের চারপাশ ভালোভাবে সাবানের ফেনা দিয়ে ঘষে অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে পরিষ্কার পানিতে হাত ধুতে হবে।


বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস উদযাপনের মূল উদ্দেশ্য হলো, সর্বস্তরের মানুষের মাঝে নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার এই ভালো অভ্যাসটিকে একটি সামাজিক সংস্কৃতি হিসেবে গড়ে তোলা। এই ধরনের ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার সচেতন অভ্যাস কেবল নিজেকেই রোগমুক্ত রাখে না, বরং পরিবার ও সমাজের অন্য সদস্যদেরও নানা ক্ষতিকর সংক্রমণ ও ব্যাধি থেকে সুরক্ষিত রাখতে বিশেষভাবে সাহায্য করে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর