যুক্তরাষ্ট্রে
কোনো ভিসা বা প্রবেশের অনুমতিপত্র
নিয়ে নির্ধারিত মেয়াদের অতিরিক্ত সময় অবস্থান করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে দেশটিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে কঠোর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা এবং গুরুতর ফৌজদারি মামলা দায়ের হতে পারে বলে কঠোরভাবে সতর্ক করেছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস।
শনিবার
(১৭ অক্টোবর) ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের অফিশিয়াল ও ভেরিফায়েড সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম পেজে এক আনুষ্ঠানিক পোস্টের
মাধ্যমে এই জরুরি সতর্কবার্তা
জারি করা হয়।
প্রকাশিত
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দূতাবাস স্পষ্ট আকারে জানায় যে, যুক্তরাষ্ট্রে সরকারিভাবে নির্ধারিত অবস্থানের মেয়াদের সীমানা অতিক্রম বা লঙ্ঘন করলে
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের সকল সুযোগ চিরতরে বন্ধ বা স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ
হতে পারে। একই সঙ্গে এই আইন লঙ্ঘনের
অপরাধে ওই ব্যক্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের
বিচার ব্যবস্থার অধীনে সরাসরি ফৌজদারি অপরাধের মামলা ও শাস্তির মুখোমুখি
হতে হবে।
দূতাবাস
আরও সতর্ক করে উল্লেখ করেছে যে, ভিসা প্রদানকারী কনস্যুলার কর্মকর্তাদের কাছে ভিসা আবেদনকারীর অতীতের সকল ইতিবাচক ও নেতিবাচক অভিবাসন-সংক্রান্ত ব্যক্তিগত তথ্য সংরক্ষিত থাকে। আবেদন করার সময় অতীতে কোনো ভিসা নীতি, মেয়াদ কিংবা অভিবাসন সম্পর্কিত আইন লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে থাকলে তা কনস্যুলার কর্মকর্তাদের
অনুসন্ধানে মুহূর্তের মধ্যে নজরে চলে আসবে।
সতর্কবার্তায়
জোর দিয়ে বলা হয় যে, এই ধরনের অভিবাসন
আইন ও নির্ধারিত সময়ের
বিধি লঙ্ঘনের ঘটনার ক্ষেত্রে আবেদনকারীর কোনো প্রকার 'অনিচ্ছাকৃত ভুল' বা অসাবধানতার অজুহাত
গ্রহণ করা হবে না এবং এতে
কোনো ধরনের শিথিলতা দেখাবে না কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য,
এর আগে গত ১০ অক্টোবর
ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত আরেকটি অনুরূপ সতর্কবার্তায় যুক্তরাষ্ট্রে বিভিন্ন ধরনের ফৌজদারি অপরাধ সংঘটনের কারণে ভিসা বাতিল হওয়ার বিষয়ে জোরালো হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছিল। সে সময় বলা
হয়েছিল, কারো বিরুদ্ধে শারীরিক আক্রমণ, সরাসরি চুরি, জোরপূর্বক কোনো স্থানে অনধিকার প্রবেশ বা চুরি করার
মতো অপরাধ প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিকভাবে তার ভিসা বাতিল করা হতে পারে। একই সঙ্গে এসব আইনি অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে যেকোনো উদ্দেশ্যে প্রবেশের ক্ষেত্রে চিরতরে ও স্থায়ীভাবে অযোগ্য
হিসেবে গণ্য হবেন।
ওই
বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের ঢাকাস্থ দূতাবাস পুনর্ব্যক্ত করে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র রাষ্ট্রীয়ভাবে আইনশৃঙ্খলার প্রতি অত্যন্ত শ্রদ্ধাশীল এবং দেশটির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বজায় রাখতে সেখানে ভ্রমণ করা প্রতিটি বিদেশি পর্যটক ও ভ্রমণকারীর কাছ
থেকেও শতভাগ আইন মেনে চলার দায়িত্বশীল আচরণ প্রত্যাশা করা হয়।