ঐতিহাসিক
৭ নভেম্বরকে ঘিরে দেশের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে
এল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক সিদ্ধান্ত। প্রতিবছর
এই দিনটিকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’
হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের পাশাপাশি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে অফিসিয়াল প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। দীর্ঘদিনের আলোচনা ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া
শেষে মন্ত্রিসভার নীতিগত অনুমোদনের পর এই বিশেষ
দিনটি এখন থেকে সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডারে স্থায়ীভাবে যুক্ত হলো।
সম্প্রতি
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৬ শাখা থেকে
জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই
সাধারণ ছুটির কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ওয়ালীউল দামান স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট
ভাষায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর দেশজুড়ে
সাধারণ ছুটি বলবৎ থাকবে। এর মাধ্যমেই দিনটির
ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য রাষ্ট্রীয়ভাবে
আরও বেশি স্বীকৃতি লাভ করল।
এর
আগে গত ৫ অক্টোবরের
অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস
উদযাপনসংক্রান্ত বিশেষ পরিপত্রে ৭ নভেম্বরকে ‘ক’
শ্রেণিভুক্ত জাতীয় দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় এবং মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে অবশেষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই প্রজ্ঞাপন জারি
করা হলো। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে
এখন থেকে প্রতি বছর যথাযোগ্য মর্যাদায় এবং সাধারণ ছুটির মধ্য দিয়ে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’
উদযাপিত হবে।
এদিকে
৭ নভেম্বরকে কেন্দ্র করে সরকারি এই ছুটির ঘোষণায়
দেশের সাধারণ মানুষ ও চাকরিজীবী মহলে
ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনেও দিবসটি নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকেরা। ছুটির এই প্রজ্ঞাপন জারির
পর থেকেই সরকারি দপ্তরে এবং প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে নানামুখী আলোচনা। উল্লেখ্য, বর্তমান সময়ে বিভিন্ন জাতীয় ছুটির সমান্তরালে এই নতুন সাধারণ
ছুটি যুক্ত হওয়ায় সামগ্রিক ছুটির তালিকায় এসেছে বিশেষ মাত্রা।