ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

প্রতিবছর ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটি পালনের নির্দেশ দিয়ে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ


  • আপলোড সময় : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬ সময় : ১:১১ পিএম

ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরকে ঘিরে দেশের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক সিদ্ধান্ত। প্রতিবছর এই দিনটিকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালনের পাশাপাশি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে অফিসিয়াল প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। দীর্ঘদিনের আলোচনা ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে মন্ত্রিসভার নীতিগত অনুমোদনের পর এই বিশেষ দিনটি এখন থেকে সরকারি ছুটির ক্যালেন্ডারে স্থায়ীভাবে যুক্ত হলো।

 

সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৬ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই সাধারণ ছুটির কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়। মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ওয়ালীউল দামান স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট ভাষায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর দেশজুড়ে সাধারণ ছুটি বলবৎ থাকবে। এর মাধ্যমেই দিনটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব ও তাৎপর্য রাষ্ট্রীয়ভাবে আরও বেশি স্বীকৃতি লাভ করল।

 

এর আগে গত ৫ অক্টোবরের অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভা বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস উদযাপনসংক্রান্ত বিশেষ পরিপত্রে ৭ নভেম্বরকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত জাতীয় দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতায় এবং মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদন সাপেক্ষে অবশেষে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে প্রতি বছর যথাযোগ্য মর্যাদায় এবং সাধারণ ছুটির মধ্য দিয়ে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উদযাপিত হবে।

 

এদিকে ৭ নভেম্বরকে কেন্দ্র করে সরকারি এই ছুটির ঘোষণায় দেশের সাধারণ মানুষ ও চাকরিজীবী মহলে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। রাজনৈতিক অঙ্গনেও দিবসটি নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকেরা। ছুটির এই প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকেই সরকারি দপ্তরে এবং প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে নানামুখী আলোচনা। উল্লেখ্য, বর্তমান সময়ে বিভিন্ন জাতীয় ছুটির সমান্তরালে এই নতুন সাধারণ ছুটি যুক্ত হওয়ায় সামগ্রিক ছুটির তালিকায় এসেছে বিশেষ মাত্রা।

 


এ সম্পর্কিত আরো খবর