কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি:
মসজিদে গিয়ে টানা ৪০ দিন তাকবীরে উলার সাথে জামাতে নামাজ আদায় করে আকর্ষণীয় বাইসাইকেল পুরস্কৃত হয়েছে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার ১৪ জন বালক। এছাড়া নিয়মিত অংশগ্রহণকারী আরও ৫ জন বালককে দেওয়া হয়েছে বিশেষ টেবিল লাইট।
শিশুদের নিয়মিত নামাজ আদায়ে উৎসাহিত করা এবং তাদের মসজিদমুখী করে ধর্মীয় মূল্যবোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে স্থানীয় ও প্রবাসী কয়েকজন যুবকের যৌথ উদ্যোগে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার মসূয়া ইউনিয়নের পশ্চিম মসূয়া গ্রামে এ অনন্য কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর ২০২৬) বিকেলে পশ্চিম মসূয়া বাইতুল আকসা জামে মসজিদে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিজয়ী ১০ থেকে ১২ বছর বয়সী বালকদের হাতে এসব পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে শিমুহা আব্দুল মাজিদ দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মসূয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর ও নূর হুসাইল আলিম মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাওলানা আমিনুল ইসলাম।
বাইতুল আকসা জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা তানযীল আহমেদের চমৎকার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন মসূয়া উমর বিন খাত্তাব (রা.) জামে মসজিদের খতিব মাওলানা জহিরুল ইসলাম তিতাস, আছিমুন্নেছা ইসলামিক শিক্ষা ইনস্টিটিউট সালাফিয়্যাহ কওমি মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা রাকিবুল হাসান এবং এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের প্রভাষক মো. আল-আমিন হুসাইন। এ সময় স্থানীয় আলেম-ওলামা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকেরা জানান, শুধুমাত্র পুরস্কার দেওয়া এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য নয়; বরং ছোটবেলা থেকেই শিশুদের মাঝে নিয়মিত নামাজ আদায়ের অভ্যাস গড়ে তোলা, তাদের চরিত্র গঠন এবং মসজিদের সঙ্গে তাদের আত্মিক সম্পর্ক তৈরি করাই আমাদের মূল উদ্দেশ্য।
সামাজিক এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে স্থানীয়রা বলেন, শিশুদের ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে এমন উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। প্রবাসী ও এলাকার যুবকদের যৌথ প্রচেষ্টায় বাস্তবায়িত এই উদ্যোগ কটিয়াদীসহ অন্যান্য অঞ্চলের মসজিদগুলোর জন্যও একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।