চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় দেশীয় বোর্ডগুলোর তুলনায় অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছেন প্রবাসে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা। বিদেশের আটটি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯০.৮৭ শতাংশে, যা দেশের সার্বিক গড় পাসের হারকে বহুলাংশে ছাপিয়ে গেছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফলাফলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন ফলাফলের নানা পরিসংখ্যান ও বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন।
সংবাদ
সম্মেলনে উত্থাপিত বিদেশ কেন্দ্রের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এ বছর বিদেশের
৮টি নির্ধারিত কেন্দ্রে মোট ২৩০ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি
ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে সফলভাবে পাস করেছেন ২০৯ জন পরীক্ষার্থী এবং
অকৃতকার্য হয়েছেন ২১ জন। এতে
পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৯০.৮৭ শতাংশে,
যেখানে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষার্থী শতভাগ
পাসের কৃতিত্ব অর্জন করেছেন।
প্রবাসের
এই চমৎকার অর্জনের বিপরীতে দেশের সামগ্রিক এইচএসসি ফলাফলে ভিন্ন চিত্র পরিলক্ষিত হয়েছে। এ বছর দেশের
১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২.১২ শতাংশে
এবং মোট জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০
হাজার ৮৪ জন পরীক্ষার্থী।
বিগত ২০২৫ সালে যেখানে সার্বিক পাসের হার ছিল ৫৮.৮৩ শতাংশ
এবং জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯
হাজার ৯৭ জন, সেখানে
এবার পাসের হার ৬.৭১ শতাংশ
পয়েন্ট কমেছে এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর
সংখ্যা কমেছে ২৯ হাজার ১৩
জন। দেশীয় ফলাফলের এমন পটভূমিতে বিদেশ কেন্দ্রগুলোর ৯০.৮৭ শতাংশ
পাসের হার শিক্ষা মহলে প্রশংসিত হচ্ছে।