ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

আমতলীতে দুই ভাই বিক্রি করলেন বাঁধের গাছ


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৬:০১ পিএম

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি।

বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের গাছ মোঃ জসিম উদ্দিন ও আমিনুল ইসলাম নামের দুই ভাই বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড এতে বাঁধা দিলেও তারা তা আমলে নেয়নি। এমন অর্ভিযোগ স্থানীয়দের। জসিম উদ্দিন কুকুয়াহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। ঘটনা ঘটেছে সোমবার আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কুতুবপুর মাদ্রাসা সংলগ্ন এলাকায় । জানাগেছে, আমতলী উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের কুকুয়া গ্রামের ১৯৬৫ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করে।

ওই বাঁধের রিভার ও কাইন্টি সাইটে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ২০০ ফুট জমি রয়েছে। ওই জমিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ২০০০ সালে মেহগনি, চাম্বল ও শিশুসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপন করে। ৫০টির অধিক গাছ কুকুয়াহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জসিম উদ্দিন ও তার ভাই আমিনুল ইসলাম ৮৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেছেন। স্থানীয় গাছ ব্যবসায়ী বেল্লাল মিয়া ওই গাছ ক্রয় করেছেন। তিনি গত তিনদিন ধরে ওই গাছ কেটে নিচ্ছেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন জসিম উদ্দিন ও আমিনুল ইসলাম বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের গাছ বেল্লাল বেপারীর কাছে বিক্রি করেছেন।

বুধবার সরেজমিনে ঘুরে দেখাগেছে, কাটা গাছ স্তুপ আকারে রাখা হয়েছে। বেলাল মিয়া গাছ নিয়ে যাচ্ছেন। ব্যবসায়ী বেল্লাল মিয়া বলেন, জসিম মাষ্টার ও তার ভাই আমিনুল ইসলাম আমার কাছে ৮৫ হাজার টাকায় গাছ বিক্রি করেছেন। তাই আমি গাছ কাটতেছি। ওই গাছ পানি উন্নয়ন বোর্ডের কিনা তা আমার জানা নেই? কুকুয়াহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, আমার রেকর্ডীয় জমিতে রোপনকৃত গাছ বিক্রি করেছি। এখানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোন গাছ নেই। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যসহকারী মোঃ আলমগীর হোসেন বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির গাছ জসিম ও তার ভাই বিক্রি করে দিয়েছেন। ওই গাছ বেল্লাল নামের একজন কেটে নিচ্ছেন। বাঁধা দিলেও তিনি মানেননি।

বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আজিজুর রহমান সুজন বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে রোপনকৃত গাছ কাটা হয়েছে। বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হান্নান প্রধান বলেন, বাঁধের গাছ কেটে নেয়ার কোন সুযোগ নেই। খোজ খবর নিয়ে যারা গাছ কেটেছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর