ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো পাকিস্তান


  • আপলোড সময় : শনিবার ২৯ নভেম্বর, ২০২৫ সময় : ৩:৪৪ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো পাকিস্তান। শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোরে দেশটির লোরালাই এবং আশেপাশের এলাকায় হালকা কম্পন অনুভূত হয়েছে। এ সময় লোকজন আতঙ্কে ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে। জাতীয় ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (এনএসএমসি) জানিয়েছে, কিছু বুঝে ওঠার আগেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। ভূমিকম্প অফিস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৪। এর কেন্দ্রস্থল ছিল লোরালাইয়ের দক্ষিণ-পূর্ব থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দূরে। তবে ভূমিকম্পের পর প্রাথমিক ভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।


এর আগে, গত মঙ্গলবারও পাকিস্তানের সিবি এলাকায় ৩ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। তবে দুটি ক্ষেত্রেই বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। চলতি মাসের শুরুতেও প্রদেশের কিছু অংশে ছোটখাটো ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সে সময় পাকিস্তান আবহাওয়া অধিদপ্তর (পিএমডি) পরিচালিত এনএসএমসি জানায়, জিয়ারাত এবং আশেপাশের এলাকায় ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।


গত ৮ নভেম্বরের ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল কোয়েটা থেকে ৬৭ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। তবে ওই ভূমিকম্প থেকে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। জিয়ারাতে সর্বশেষ বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল ২০০৮ সালে। সে সময় ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ৫০০ জন আহত হয়। ওই ভূমিকম্পে পুরো গ্রাম ধ্বংস হয়ে যায়, শত শত বাড়িঘর ও সরকারি ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। ফলে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। দেশটি দীর্ঘদিন ধরেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। দেশটির বেলুচিস্তান প্রদেশ মূলত একটি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের পাশে অবস্থিত।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর